মমতা-অভিষেককে একযোগে আক্রমণ শুভেন্দুর

118

বর্ধমান: বীরভূমের পাথর আর বর্ধমানের বালি সব ওরা খাচ্ছে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং হুগলীর ডিএম-রা সব বলিখাদান ব-কলমে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারকে দিয়ে রেখেছে। এদের হাত থেকে এবার যদি বাংলাকে বাঁচানো না যায় তাহলে আর বাংলাকে বাঁচানো যাবে না। বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে বুধবার পূর্ব বর্ধমানের একাধিক নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিয়ে এভাবেই নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চম দফার ভোট প্রচারের শেষ দিনে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর এমন মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

জেলার কালনা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ কুণ্ডুর সমর্থনে এদিন কালনার বৈদ্যপুরে প্রথম জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর বিকালে তিনি রায়না বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী মানিক রায়ের সমর্থনে ছোটবৈনান গ্রামে হওয়া জনসভায় যোগ দেন। এদিনের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী আগাগোড়াই আক্রমণের নিশানায় রাখেন মুখ্যমন্ত্রী অভিষেককে। নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, ‘তোলাবাজ ভাইপো প্রায় ৯শো কোটি টাকা কয়লা থেকে তুলেছে। এছাড়াও কেটে ফাঁক করে দিচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলার নদীগুলোকে। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দুবাবু পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং হুলীর জেলাশাসকদের নিশানা করেন। তিনি বলেন, ‘এইসব জেলার সমস্ত বালি খাদান পায় পবন অরোরা। যে পবনের ছেলের নাম অঙ্কুশ অরোরা। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই অঙ্কুশ অরোরা-ই বিয়ে করেছে তোলাবাজ ভাইপোর শালিকাকে। তাকেই ইডি ডেকেছে।’

- Advertisement -

শুভেন্দু অধীকারীর এহেন মন্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ‘জনগন কাকে বিদায় দিল তা ২ মে পরিষ্কার হয়ে যাবে। বিজেপির বাংলায় ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন যে সফল হচ্ছে না সেটা বুঝে গিয়ে বিজেপি নেতারা। তাই এখন জনসভা থেকে কুৎসা ছড়ানোর পথ বেছে নিয়েছে।’