রায়গঞ্জ ১৮ জুলাইঃ কাটমানি না দেওয়ায় এক স্কুল শিক্ষিকাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠল প্রধান শিক্ষক ও পরিচালন সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে করণদিঘির একটি স্কুলে। ওই স্কুল শিক্ষিকার অভিযোগ, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ স্কুলে যোগ দেন তিনি। যোগ দেওয়ার পরই প্রধান শিক্ষক ও পরিচালন সমিতির সভাপতি দুই লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু সেই টাকা দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন তিনি। পরবর্তীতে তাঁর কাছে ৩০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা না দেওয়ায় দীর্ঘ কয়েক মাস যাবৎ তাকে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। এদিন সন্ধ্যায় ওই শিক্ষিকা জেলা শাসককে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই শিক্ষিকা বলেন, ‘দুই লক্ষ টাকা না দেওয়ায় দু’বার আমার বেতন কেটে নেওয়া হয়েছে’। যদিও প্রধান শিক্ষক জানান, ‘এই অভিযোগ ঠিক নয়। ওই শিক্ষিকা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।’ বেতন কেটে নেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুদিন স্কুলে না আসায় দুই মাসে দুবার বেতন কাটা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্কুলের সভাপতি বলেন, ‘এই দুই লক্ষ টাকা আমরা ব্যক্তিগতভাবে কেউ চাইনি। স্কুলকে ডোনেশন দেওয়ার জন্য চেয়েছি। যেহেতু ওই শিক্ষিকা গরিব পরিবার থেকে এসেছে সে কারণে ৩০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। এই বিষয়ে জেলাশাসককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ হয়েছে। এর থেকে বেশি কোনো মন্তব্য করব না।’