টিকাকরণ কেন্দ্রে উত্তেজনা, সাংবাদিককে হেনস্তা র‍্যাফের

174

ফাঁসিদেওয়া: হাসপাতালে করোনার ভ্যাকসিন নিতে ভিড়। কয়েকশো মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। ভ্যাকসিন সেন্টারের ভিতরে ঠাণ্ডা ঘরে কয়েকজন মহিলা র‍্যাফ এবং সিভিক ভলান্টিয়ার ভিড় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অথচ, সেন্টারের সামনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কেউ নেই। এই ছবি তোলার পরই উত্তরবঙ্গ সংবাদের প্রতিনিধিকে লাঠি নিয়ে মারতে তেড়ে গেলেন কর্তব্যরত র‍্যাফের মহিলা কর্মীরা। শুধু তাই নয়, রাগ সামলাতে না পেরে সংবাদকর্মীর তালা দেওয়া বাইক একটি দোকানের সামনে থেকে টেনে হাসপাতালের ২ নম্বর গেটের সামনে রেখে দেওয়া হয়।

ঘটনাকে ঘিরে বুধবার হাসপাতাল এবং সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ডিএসপি (গ্রামীণ) অচিন্ত্য গুপ্ত এবং ফাঁসিদেওয়া থানার ওসি সুজিত দাসের নির্দেশে এএসআই সব্যসাচী দাস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। যাঁদের কাঁধে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব, তাঁরাই কিভাবে সংবাদকর্মীর নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

- Advertisement -

এদিন সকাল থেকেই হাসপাতালে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছিল। প্রচুর মানুষ লাইনে ছিলেন। বাইরে পুলিশ কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি দেখার কথা ছিল। কারণ কর্তব্যরত কর্মীদের পক্ষে সেন্টারের ভিতর থেকে বিষয়টি সামাল দেওয়া মুশকিল ছিল। কিন্তু, সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীরা ভ্যাকসিনেশন সেন্টারের ভিতরেই ছিলেন। কিন্তু, তাঁরা বাইরে এসে কোনও দায়িত্ব পালন করেননি বলে অভিযোগ ওঠে। ভ্যাকসিন নিতে এসে মাম্পি বর্মন, হারু রায়রা জানান, বাইরে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। কোনও লাইন মানা হচ্ছিল না। পুলিশ ভিতরেই ছিল। সংবাদকর্মীকে নিগ্রহ প্রসঙ্গে ডিএসপি (গ্রামীণ) অচিন্ত্য গুপ্ত বলেন, ‘বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’ ফাঁসিদেওয়া ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অরুণাভ দাস বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে, এদিন যা হয়েছে, তা মানা যায় না।’