পুণ্ডিবাড়ির জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাকেন্দ্রে উত্তেজনা, অভিভাবককে মারধর

206

পুণ্ডিবাড়ি: রেইনকোট পরে ও ছাতা নিয়ে পরীক্ষার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হল না জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাকেন্দ্রে। শনিবার এই অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় পুণ্ডিবাড়ির মধুপুর এলাকার একটি কেন্দ্রে।

শনিবার ছিল রাজ্যের জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। মধুপুর এলাকার ওই স্কুলে পরীক্ষার সিট পড়েছে। সেই মতো এদিন প্রচুর পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক স্কুলের সামনে ভিড় করেন। অভিভাবকদের দাবি, মূল গেট থেকে স্কুল বিল্ডিং অনেকটা দূরে। সেকারণে কাগজপত্র বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় তাঁরা পরীক্ষার্থীদের রেইনকোট পরে স্কুলে ঢুকতে দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা তা মানতে চাননি বলে অভিযোগ। এমনকি অ্যাডমিট ও আধার কার্ডের মত গুরুত্বপূর্ণ কাগজ কভার ফাইলে নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার অনুমতিও দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে অভিভাবকদের বাকবিতণ্ডা হয়, পরে তা ধস্তাধস্তিতে গড়ায়। খবর পেয়ে পুণ্ডিবাড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ একজন অভিভাবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। যদিও পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

তাপসকুমার বর্মন নামে এক অভিভাবক বলেন, ’মধুপুরের একটি স্কুলে ছেলের পরীক্ষার সিট পড়েছিল। এদিন সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল। সেকারণে পরীক্ষার্থীদের অনেকেই রেইনকোট পরে এসেছিল। কিন্তু স্কুল গেটের বাইরে নিরাপত্তারক্ষীরা জানান, রেইনকোট বা ছাতা নিয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। এমন সময় পুণ্ডিবাড়ি থানার এক পুলিশ কর্মী গিয়ে আচমকা আমার ওপর চড়াও হন। এরপর আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মী মিলে আমায় মারধর করেন। গালিগালাজও করা হয়।‘ কৌশিক ভৌমিক, ছন্দা ঘোষ সহ অন্য অভিভাবকরা পুলিশের এমন আচরণের নিন্দা করেছেন।

যদিও পুণ্ডিবাড়ি থানার তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশের পালটা অভিযোগ, ওই ব্যক্তি পরীক্ষা কেন্দ্রের নিয়ম লঙ্ঘন করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু নিগ্রহ করা হয়নি। কিছুক্ষণ পরই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুলের বাইরে কী ঘটেছে, তা তাদের জানা নেই। পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থার নির্দেশ মেনে রেইনকোট পরে পরীক্ষার্থীদের স্কুলের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।