লকডাউনে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পে ধাক্কা, বিকল্প রাস্তা খুঁজছেন শিল্পপতিরা

187
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: করোনা সংক্রমণের জেরে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশজুড়ে কড়া লকডাউন ঘোষণা করেছে সে দেশের সরকার। যার জেরে দেশের বস্ত্রশিল্পে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। কলকারখানা গুলি বন্ধ থাকায় চাপে পড়েছেন শিল্পপতিরা। তাই এই সংকটকালীন পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প রাস্তা খুঁজছেন তাঁরা।

কারখানার মালিক পক্ষ জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ যদি আরও খারাপ পর্যায়ে পৌঁছোয় তাহলে ৫ আগস্টের পরও কারখানা বন্ধ রাখতে হয়। ফলে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে কারখানার মালিকদের। সেজন্যই সংকটকালীন পরিস্থিতি এড়াতে পোশাক কারখানার সমস্ত কর্মীদের গণ টিকাকরণের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কিছু সংখ্যক শ্রমিক দিয়ে কারখানা খোলার প্রস্তাব রেখেছেন মালিকরা।

- Advertisement -

বস্ত্র শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমই’র সহ সভাপতি শহিদুল আজিম জানান, পোশাক রপ্তানির পিক টাইম হল জুন, জুলাই ও আগস্ট মাস। সারা বছরের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ রপ্তানি হয় এই সময়ে। ফলে লকডাউন থাকলে বরাত মতো পণ্য জোগান সম্ভব হবে না। ইউরোপের দেশগুলিতে ক্রিসমাস ও শীতের মরশুমের অর্ডার এখন শিপমেন্টের পর্যায়ে। তাই সঠিক সময়ে পণ্য রপ্তানি না হলে দেরিতে এই পণ্যগুলো বিক্রি করা যাবে না। এছাড়া জাহাজে পণ্য পাঠাতে না পারলে কার্গো বিমানে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পরিবহণ ব্যয় ৩ থেকে ৪ গুণ বেড়ে যাবে। যার ফলে আরও বিপাকে পড়বে মালিকপক্ষ।