যে কারণে এই আবাসনে থাকতে চান না স্বাস্থ্যকর্মীরা

172

চাঁচল: চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের আবাসনের বেহাল দশায় আতঙ্কে স্বাস্থ্যকর্মীরা। হাসপাতালের ঝাঁ চকচকে নীলসাদা বিল্ডিংয়ের সামনে সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে কর্মী আবাসন। আবাসনে কোথাও ফাটল ধরেছে আবার কোথাও বহুতলে খসে পড়ছে ছাদের নীচের অংশ। বাইরের অংশে জঙ্গলে পরিপূর্ণ হয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পরিণত হয়েছে। এই অবস্থায় হাসপাতালের আবাসনগুলিতে নিজেদের ঝুঁকি নিয়ে থাকছেন হাসপাতাল কর্মী ও নার্সরা।

হাসপাতালের আবাসনে থাকা এক নার্স বলেন, ‘আমরা বাইরের জেলা থেকে এখানে কর্মরত। করোনা আবহে বাইরে কোথাও বাড়ি ভাড়া দিতে চাইছেন না অনেকেই। আমরা নিজেরা আবাসন সংস্কার করে বসবাস করি। বর্ষায় ছাদ চুইয়ে জল পড়ে। আবাসনের বহুতলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এক কথায় আবাসনগুলি বসবাসের অযোগ্য। করোনার প্রথমসারির যোদ্ধাদেরই আবাসনগুলি বেহাল অবস্থায় থাকায় আতঙ্কে অনেকে আবাসন ছেড়ে অন্যত্র থাকছেন ভাড়া বাড়িতে।’

- Advertisement -

স্থানীয় বাসিন্দা সুজিত তরফদার বলেন, ‘চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের জরাজীর্ণ হাসপাতাল আবাসন যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে। যারা প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা তাদের আশ্রয়স্থলের বেহাল দশা সত‍্যিই দুঃখজনক। স্থানীয় বাসিন্দারাও চাইছেন বেহাল আবাসনগুলির সংস্কার হোক জানিয়েছেন।’ বাসিন্দারা বলেন, ‘স্বাস্থ‍্যকর্মীদের আবাসন ভগ্নাদশায় রয়েছে। এছাড়াও হাসপাতাল ভবনের চারিদিকে ঝোপ জঙ্গল ও আগাছায় ছেয়ে গিয়েছে। নিকাশি নালাও গুলিও সংস্কার দরকার।’

চাঁচল-১ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ আখতার হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে নার্সদের আবাসনটির সংস্কারের জন‍্য পিডব্লিউডি আধিকারিকদের জানিয়েছি। ডিএম সাহেব এবং জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককেও জানানো হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই তা সংস্কার করা হবে।’ চাঁচলের বিধায়ক নীহার রঞ্জন ঘোষ বলেন, ‘তিনি স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে খুব শীঘ্রই চাঁচল হাসপাতালের বেহাল আবাসনগুলি সংস্কার করা হবে।’