করোনা আবহে সাদামাটাভাবেই উত্তরবঙ্গ উৎসবের সূচনা মালদায়

81

মালদা: করোনা আবহে সাদামাটাভাবেই উত্তরবঙ্গ উৎসবের সূচনা হল মালদায়। শনিবার বিকেলে মালদা কলেজের দুর্গাকিংকর সদনে উৎসবের সূচনা করেন প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র। দু’দিন ধরে চলবে এই উৎসব। জেলার শতাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগি দু’দিন ধরে চলা একাধিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।

পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গ উৎসব। এদিন মালদা পর্বের অনুষ্ঠানের সূচনা হয় মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামে। প্রদীপ প্রজ্বলন করে উৎসবের সূচনা করেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের সদস্য সাবিত্রী মিত্র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গরত্ন প্রাপক নাট্যকার পরিমল ত্রিবেদী, অতিরিক্ত জেলা শাসক (সাধারণ) বৈভব চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা শাসক (জেলা পরিষদ) বিশ্বজিৎ বারিক, ডিপিএলও এস্টার লেপচা, উৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস প্রমুখ।

- Advertisement -

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাবিত্রী মিত্র জানান, রাজ্যে তৃণমূল সরকার আসার পর উত্তরবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদ গড়ে তোলে। দপ্তরের অর্থানুকূল্যে উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলার সার্বিক উন্নয়ন যেমন অব্যাহত, তেমনই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সংস্কৃতি চর্চার স্বীকৃতির জন্য উত্তরবঙ্গ উৎসবের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অঙ্কন, গান, নাচ, আবৃত্তি থেকে শুরু করে একাধিক সাংস্কৃতিকমূলক প্রতিযোগিতার মঞ্চ হিসেবে এই উৎসব উত্তরবঙ্গের মুখ হয়ে উঠেছে। প্রতিবছরই জেলার শিল্পীরা এই উৎসবের প্রতিক্ষায় থাকেন। সাবিত্রী মিত্র বলেন, ‘খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে একটা বছর গিয়েছে। নতুন বছরে আমরা সকলেই সাবধানে আছি। তবে ভয় অনেকটা কেটেছে। পরিস্থিতির কথা ভেবেই উৎসব এবছর অনেকটা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।’

উৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ‘এবছর থেকে আমরা উত্তরবঙ্গ উৎসবে অংশ গ্রহণকারী প্রতিটি প্রতিযোগিকে সংশাপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। সফল প্রতিযোগীরা যাতে রাজ্যস্তরীয় প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের সুযোগ পায় তার জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।’ এদিন জেলার ১২টি বিধানসভা এলাকার ১২ জন মেধা ছাত্রছাত্রীকে ১০ হাজার টাকার চেক এবং সংশাপত্র তুলে দেওয়া হয়। সম্মানিত করা হয় বঙ্গরত্ন প্রাপক জেলার বিশিষ্ট নাট্যকার পরিমল ত্রিবেদীকে।