পুলিশের মনজয় করে থানা চত্বরেই বাসস্থান পেল পাখির দল

46

বর্ধমান: পাখিরাও বোধহয় ভেবে নিয়েছে কিচির মিচির ডাকে পুলিশবাবুদের খুশি করতে পারলে তারা নিরাপদ আশ্রয় পাবে! পাখিদের সেই ভাবনা যে ভুল ছিল না তা শনিবার স্বচক্ষে দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানায়। পাখিদের কিচির মিচির ডাকে খুশি হয়ে পুলিশবাবুরাই এদিন অসংখ্য ঝুড়ি থানা চত্বরে থাকা বটগাছটির ডালে ডালে ঝুলিয়ে দিলেন তাদের বাসা তৈরির সুবিধার্থে। পুলিশবাবুদের এমন ‘পক্ষী প্রেম’ এলাকার মানুষজনের মন কেড়ে নিয়েছে। নাদনঘাট থানার পুলিশকর্মীরাও চাইছেন থানা চত্বরে থাকা বটগাছটিই হয়ে উঠুক পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আর তারা যেন সকাল বিকেল কিচির মিচির ডাকেই পুলিশকর্মীদের মন ভরিয়ে রাখে।

নাদানঘাট থানার অদূরে রয়েছে পূর্বস্থলীর ‘চুপীর পাখিরালয়’। প্রতিবছর শীত পড়তেই দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে উড়ে এসে ওই পাখিরালয়ে ভিড় জমায় প্রায় ৬০-৭০ প্রজাতির পাখি। পর্যটকরা ওই সময়ে রং বেরংয়ের পাখি দেখার টানে চুপীর পাখিরালয়ে হাজির হন। পর্যটকরা পাখি দেখে মুগ্ধ হন। তবে শীত না পড়লেও এই সময়ে অদ্ভুত ভাবেই দলে দলে পাখি আশ্রয় নিয়েছে নাদনঘাট থানা চত্বরে থাকা বটগাছটিতে। আর তাতেই খুশিতে মাতোয়ারা থানার বড়বাবু থেকে শুরু করে পুলিশকর্মীরা। খুশি এলাকাবাসীও।

- Advertisement -

ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘কিছুদিন যাবৎ বিভিন্ন রংয়ের পাখি বটগাছটিতে বসতে শুরু করে। পরে পাখিদের আনাগোনা বাড়ে। তা দেখে থানার সকলেই খুশি হন। নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ পেলে থানা চত্বরের বটগাছে আরও অনেক পাখি জড়ো হবে।’