কালভার্ট নির্মানে প্রধানের বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগে সরব বিজেপি

88

ধূপগুড়ি: কালর্ভাট নির্মান নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলল বিজেপি নেতৃত্ব। নির্বাচনের মুখে কাটমানির সুর তোলাকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাগুরমারি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুমুরপাড়া এলাকায় কালর্ভাট নির্মানের কাজ চলছে। কিন্তু কালর্ভাটটি অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী এবং সিমেন্টের ভাগ কম দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি স্থানীয় কয়েকজন নির্মীয়মান কালর্ভাটের একটি অংশে লাঠি দিয়ে খোঁচা দিতেই ভেঙে যায় বলে দাবী করা হয়েছে। এরপরই নির্মান নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে এবং কাটমানি নিয়ে কাজের অভিযোগ তোলে বিজেপি নেতৃত্ব। তবে মাগুরমারি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সীমা রায় অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা রাজু বসাক বলেন, কয়েকজম লাঠি দিয়ে খোচা দিতেই কংক্রিট ভেঙে যাচ্ছিল। নিম্ন মানের কাজ করা হচ্ছে।

একই অভিযোগ অপর এক বাসিন্দা ক্ষিতিশ সরকারের। তিনি বলেন, ‘নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কালর্ভাট নির্মান করা হচ্ছে। নির্মান কাজে সিমেন্টও কম দেওয়া হচ্ছে। পুরো বিষয়টি ঠিকাদারকে জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, নির্মানের শাটারিং খুলতেই বালি পাথর ভেঙে পড়ছে।’

- Advertisement -

এদিকে ধূপগুড়ি বিজেপি পশ্চিম মন্ডলের সভাপতি গৌতম সরকার বলেন, ‘প্রধান নির্মান কাজের থেকে কাটমানি নিয়েছে। আর সেই থেকেই কাজের মান নিম্ন করে করা হচ্ছে। এই ধরনের কাজ বরদাস্ত করা হবে না।’

পুরো বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে বলে পালটা দাবী করেছেন মাগুরমারি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্তৃপক্ষ। প্রধান সীমা রায় বলেন, ‘ভোট আসতেই মিথ্যা প্রচার করছে বিরোধীরা। কিন্তু গ্রাম পঞ্চায়েতে কাজ আসলে শাসক বা বিরোধী কাউকেই আলাদা করে দেখা হয় না। কাজ আসা মাত্রই সবাইকে সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হয়।’

উল্লেখ্য ওই কালর্ভাট নির্মান সম্পন্ন হলে ঝুমুর পাড়া এলাকায় কয়েকশো মানুষ যাতায়াত সমস্যা থেকে রেহাই পাবে। কিন্তু নিম্ন মানের কাজের হলে নির্মান সম্পন্ন হওয়ায় কিছু দিনের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও একই রকম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং সেই আশঙ্কা থেকেই তারা নির্মান চলা অবস্থাতেই নিম্ন মানের কাজের অভিযোগ তুলেছে। পাশাপাশি ঠিকাদারকেও পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।