ভোট পেতে ক্লাবকে নিজেদের দিকে টানছে বিজেপি

85

রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ বিধানসভা এলাকায় নিজেদের সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অনেকদিন থেকেই বিজেপি ক্লাবগুলিকে নিজেদের দিকে আনার চেষ্টা করছে। সেজন্য বিজেপি নেতৃত্বকে বারবার ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা গিয়েছে। একইভাবে গ্রামাঞ্চলের বেশকিছু ক্লাবের সঙ্গেও তারা নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে। সেই ক্লাবগুলির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের মধ্যে তারা নিজেদের দলের প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা চালাচ্ছে। নির্বাচনে বিজেপির এই স্ট্র্যাটেজি ভালোভাবে কাজে আসবে বলে মনে করছেন দলের কর্মীরা।

রায়গঞ্জ বিধানসভায় গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ছোট বড় প্রচুর ক্লাব রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ওই ক্লাবগুলির একাংশ রাজনৈতিক দলগুলির দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। এখন তাদেরই নিজের দিকে টেনে তৃণমূলের ভোট ব্যাংকে থাবা বসাতে চাইছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের দাবি, ক্লাবগুলির উপর যদি বিজেপির নিরবিচ্ছিন্ন প্রভাব নির্বাচনের সময় পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে তবে তার প্রভাব ভোটবাক্সে পড়বে। কিন্তু শাসক দল এই যুক্তিকে মানতে চাননি। তারা সাফ জানিয়েছেন ক্লাব রাজনীতির দিন শেষ। ফলে নির্বাচনে এর কোনও প্রভাবই পড়বে না।

- Advertisement -

বিজেপি জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী বলেন, ‘রায়গঞ্জ  বিধানসভার এলাকার অনেক ক্লাবকেই আমাদের দিকে আনতে আমরা সক্ষম হয়েছি।  রায়গঞ্জ শহরের বেশকিছু ক্লাব আমাদের দিকে এসেছে। এর প্রভাব অবশ্যই ভোটবাক্সে পড়বে।’ বাম কংগ্রেস সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘এখানে ক্লাবভিত্তিক রাজনীতি একসময় হত। একথা ঠিক কিন্তু এখন মানুষ অনেক সচেতন তাই সেদিন আর নেই। নির্বাচনে আমরা জয়লাভ করব।’ শাসকদলের রায়গঞ্জের প্রার্থী তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, ‘রায়গঞ্জ শহর সহ শহরতলী এলাকায় সমস্ত ক্লাব আমাদের পক্ষে রয়েছে। বিজেপি যতই চেষ্টা করুক কাজের কাজ কিছুই হবে না।’