স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশাই প্রচারের ইস্যু বিজেপির

81

চালসা: মেটেলি ব্লকের কৃষি প্রধান বিধাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এবারের নির্বাচনের প্রধান ইস্যু এলাকার মাথাচুলকা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পরে রয়েছে। হাসপাতালে নেই কোনও স্থায়ী চিকিৎসক। নেই কোনও বেড। একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক থাকলেও উনার কাছে জনগণ খুব কম যায়। নেই পর্যাপ্ত কর্মী। প্রায় ৮-৯ বছর আগে জার্মান প্রজেক্ট থেকে হাসপাতালের নতুন ভবন, ডাক্তারের কোয়াটার তৈরি করা হলেও সেগুলো ব্যবহার না করার ফলে দিনের পর দিন নষ্ট হচ্ছে। বেড সহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিও পরে থেকে নষ্ট হচ্ছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই হাসপাতালের বেহাল দশাকেই হাতিয়ার করে গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। যদিও বিজেপির এই হাসপাতাল ইস্যুকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস।

জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালে স্থায়ী চিকিৎসক ও যাবতীয় পরিকাঠামো না থাকার জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য জনগণকে যেতে হয় প্রায় ১০ কিমি দূরবর্তী চালসার মঙ্গলবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল নয়ত প্রায় ১২ কিমি দূরবর্তী মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ফলে একদিকে এলাকার জনগণের যেমন যাতায়াতের সমস্যা হয় তেমনি তাদের অতিরিক্ত টাকাও খরচ করতে হয়। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় গর্ভবতী মহিলাদের। হাসপাতালে বেড না থাকার ফলে গর্ভবতী মহিলা সহ কোনও রোগীকে এখানে রাখা হয় না। ভোটের আবহে ফের হাসপাতালে স্থায়ী চিকিৎসক নিয়োগ, পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জোরালো দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

- Advertisement -

নাগড়াকাটা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী পুনা ভেংরা বলেন, ‘গত ১০ বছরে তৃণমূলের সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কোনও উন্নয়ন করেনি। শুধু বড়ো বড়ো বিল্ডিং বানিয়েছে। আমরা ক্ষমতায় এসে ওই হাসপাতালের উন্নয়ন করব।’

নাগড়াকাটা বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী জোসেফ মুন্ডা বলেন, ‘রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কেমন সেটা মানুষ জানে। বিজেপি বললে সেটা আমরা মানবো না। মালে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। সামসিং চা বাগানেও একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরির অনুমোদন হয়েছে। আগামীতে অবশ্যই তৃণমূল সরকারই মাথাচুলকা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়ন করবে।’