হিংসা থামাতে সচেষ্ট হোক কেন্দ্র-রাজ্য, পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

75
সংগৃহীত ছবি

কলকাতা: রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা থামাতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পারস্পরিক দোষারোপ নয় বরং সহযোগিতা প্রয়োজন। হিংসা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার পর্যবেক্ষণে এমনটাই জানালেন, কলকাতা হাইকোর্টের কার্যকরী প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের রিপোর্ট আজ জমা পড়ে কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চে। তাতে তুলে ধরা হয়, ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা কমেছে। গত কয়েকদিনে রাজ্যে হিংসার ঘটনায় রাশ টানতে সক্ষম হয়েছে প্রশাসন।

৯ মের পর থেকে আর কোনও গণ্ডগোল ঘটেইনি বলে কলকাতা হাইকোর্টে দাবি করলেন রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। তিনি আরও বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পরই আধিকারিকদের সাথে মিটিং করেছেন যাতে হিংসার ঘটনা দ্রুত বন্ধ করা যায়। তারপরই ৭ তারিখের পর থেকেই হিংসার ঘটনা কমেছে এবং ৯ মের পর থেকে এখনও পর্যন্ত হিংসার ঘটনা ঘটেনি।’

- Advertisement -

যদিও কেন্দ্রের তরফে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল ওয়াই যে দস্তুর বলেন, ‘গোটা রাজ্যের মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত, চারদিক থেকে অভিযোগ আসছে। অভিযোগ করার জায়গা নেই। এতদিন ধরে যা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখার জন্য সিট গঠন করা উচিত। বহু মানুষের ঘরবাড়ি, সম্পত্তি অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তখন প্রধান বিচারপতি এডভোকেট জেনারেলের কাছে জানতে চান, প্রশাসন কি অনলাইনে অভিযোগ গ্রহন করার ব্যাবস্থা করেছিলেন? যদিও শেষে প্রধান বিচারপতি রাজ্যের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘এখন কেন্দ্র রাজ্য পারস্পরিক দোষারোপের সময় নয়। যৌথভাবে যাতে শান্তি বজায় থাকে সেই চেষ্টাই করতে হবে।’

আগামী মঙ্গলবার ফের শুনানি হবে এই মামলার। রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ঘটনা খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের দাবি জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী অনিন্দ্য সুন্দর দাস। পাশাপাশি, এন্টালি কেন্দ্রের এবারের বিজেপি প্রার্থী তথা কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালও ভোটের পর থেকে এন্টালি কেন্দ্রের বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া থেকে শুরু করে সন্ত্রাসের ঘটনার প্রতিবাদে একটি মামলা করেছিলেন।