নানুরের হিংসা কবলিত গ্রাম পরিদর্শন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের

82

বোলপুর: এবার বীরভূম জেলার সন্ত্রাস কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য়রা। সরজমিনে খতিয়ে দেখলের সমস্ত কিছু। ক্যামেরাবন্দি করলেন একাধিক এলাকা। তবে সাংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন না কেউ।

ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যের একাধিক জেলার পাশাপাশি উত্তপ্ত বীরভূম জেলা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলা জুড়ে চলছে তাণ্ডব। কমপক্ষে ২০০০ বিজেপি নেতা-কর্মীর বাড়ি, দোকান, রিসর্ট, গাড়ি, বাইক, ট্রক্টর ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। বহু জায়গায় বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও খবর চাউড় হয়। অন্যদিকে একাধিক বিজেপি নেতা-কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এমতবস্তায় কয়েকশো পরিবার গ্রামছাড়া। প্রত্যেকটি ঘটনায় অভিযোগের তির ছিল তৃণমূলের দিকে। হিংসা রুখতে বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠি সাংবাদিক বৈঠক করে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানান। কিন্তু তাতেও অশান্তি অব্যাহত। জেলার মধ্যে সর্বাধিক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে নানুর, বোলপুর, লাভপুর, ইলামবাজার, পাড়ুই, মহম্মদবাজার, দুবরাজপুর, সাঁইথিয়া এলাকায়। হিংসার ছবি দেখতে শনিবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় বীরভূমে পা রাখলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রথমে নানুর বিধানসভার উদয়পুর গ্রামে যান তাঁরা। এরপর বিজেপি প্রার্থী তারক সাহাকে সঙ্গে নিয়ে পাকুড়হাঁস, গোয়ালডিহি গ্রামে যান। বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। নিজেদের মতো করে তারা হিংসার পরবর্তী ছবি ক্যামেরাবন্দি করেন। সাংবাদিকদের জানান এই রিপোর্ট দিল্লিতে গিয়ে জমা দেওয়া হবে।

- Advertisement -

বিজেপি প্রার্থী তারক সাহা বলেন, ‘তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গ্রামের গ্রাম লুঠপাট, ভাংচুর করেছে। প্রতিটি গ্রামে ৭০-৮০ টি করে পরিবার গ্রাম ছাড়া। কেউ কেউ আমাদের আশ্রয়ে আছে। আবার অনেকের কোনও হদিশ নেই। এখন সন্ত্রাস চলছে। পুলিশকে জানিয়েছি। কিন্তু পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। রাতে কোনও বাড়িতে মানুষ থাকতে পারছে না।’