প্রাথমিকে দুই খুদের সাফল্যে গর্বিত মাল শহর

170

মালবাজার: মাল শহর দুই খুদে পড়ুয়ার কৃতিত্বে খুশি। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদ পরিচালিত ২০১৯ বর্ষের বৃত্তি পরীক্ষায় মাল শহরের দুই পড়ুয়া জেলা স্তরে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে তাক লাগিয়েছে সকলকে। ভবিষ্যতে তাঁরা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং চিকিৎসক হতে চায়। সকলে তাদের আরও সাফল্য কামনা করেছেন। ২০১৯ সালে মালবাজারের নিবেদিতা বিদ্যানিকেতনের চতুর্থ শ্রেণীর পড়ুয়া হিসেবে তাঁরা প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদ পরিচালিত বৃত্তি পরীক্ষায় বসে। বর্তমানে দুজনেই মাল আদর্শ বিদ্যাভবনের ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়া। সম্প্রতি জলপাইগুড়িতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে।

মাল শহরের রাজাপাড়ার সুদীপ্ত পাল ৪০০-র মধ্যে ৩৬২ পেয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে সুদীপ্তর প্রাপ্ত নম্বরগুলি যথাক্রমে বাংলা-৯৫, অংক-১০০, সমাজ বিজ্ঞান-৮০, বিজ্ঞান-৪৩ এবং ইংরেজি-৪৪। সুদীপ্তর বাবা সমীর পাল ব্যবসায়ী। তাঁর ছাপাখানার ব্যবসা। মা মামনি পাল গৃহবধূ। বাঘাযতীন কলোনীর বর্ষজিৎ রায় জেলাতে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।  বর্ষজিৎয়ের বাবা বিষেনজিৎ রায় শহরের আনন্দ বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। মা সবিতা রায় গৃহবধূ। বিভিন্ন বিষয়ে তার প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে বাংলা-৮৫, অংক-৮৯, সমাজ বিজ্ঞান-৮৯, বিজ্ঞান-৪৪ এবং ইংরেজি-৪৪। সব মিলিয়ে বর্ষজিৎ ৪০০-র মধ্যে ৩৫১ নম্বর পেয়েছে।

- Advertisement -

মালবাজার নিবেদিতা বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষিকা নীতা সাহা বলেন, ‘আমরা আমাদের পড়ুয়াদের জন্য গর্বিত। আমরা চাই ওরা আরও সাফল্য পাক। বর্তমানে করোনা বিধি রয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়গুলিতে পড়ুয়ারা আসছে না। পরবর্তীতে আবার পঠন-পাঠন চালু হলে আমরা দুই পড়ুয়া কেউ বিদ্যালয়ের তরফে সংবর্ধিত করব।’