উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে সহয়তা সিভিক ভলান্টিয়ারের

367

রায়গঞ্জ ১৪ মার্চঃ গাড়ি না মেলায় পানিশালা স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী মানিক চন্দ্র পাল। বাড়ি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্র প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকলেও দীর্ঘক্ষণ বাস বা অন্য কোনো গাড়ি না মেলায় পরীক্ষাকেন্দ্রে সময় মত পৌঁছনো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল ওই পরীক্ষার্থীর কাছে। ঠিক তখনই ওই ছাত্রের কাছে এসে পৌঁছায় সিভিক ভলান্টিয়ার তন্ময় সরকার। সব শুনে বাইকে চাপিয়ে ওই পরীক্ষার্থীকে নিজেই পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেন। সুষ্ঠুভাবে ইংরেজি পরীক্ষা দিতে পারায় ট্রাফিক পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ওই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তবে পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত বাস থাকলেও জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলায় সকাল থেকেই দীর্ঘক্ষন জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। তারমধ্যে একটি লরি শীতগ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে পাল্টি খেয়ে যানজটের সৃষ্টি করে। যদিও ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতায় সমস্ত পরীক্ষার্থীদের সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ থানার অন্তর্গত শীতগ্রাম পঞ্চায়েতের পানিশালার দ্বীপনগরের বাসিন্দা উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী মানিক চন্দ্র পাল রায়গঞ্জ শহরের মোহনবাটি হাই স্কুলের ছাত্র। তার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল বাড়ি থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে কাশিবাটি হাই স্কুলে। ট্রাফিক ভলেন্টিয়ার তন্ময় সরকার বলেন, ‘এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আমরা যেকোনো বিপদে সর্বদা মানুষের পাশে আছি’। উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র মানিক পাল বলেন, ‘ওই সিভিক ভলান্টিয়ার যদি সময় মত আমাকে পৌঁছে না দিতেন তাহলে হয়তো আজ আমার পরীক্ষা দেওয়া হতো না’। ট্রাফিক পুলিশের ডিএসপি গোবিন্দ সিকদার বলেন, ‘আমাদের এক ট্রাফিক ভলেন্টিয়ার এক ছাত্রকে বৃষ্টির মধ্যে ভিজে বাইকে করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়েও  যানজটের আটকে যাওয়া ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়াররা’।

 

- Advertisement -