দ্রুত পাকা সেতু নির্মাণের কাজ শেষ হোক, দাবি স্থানীয়দের

101

মেখলিগঞ্জ: মেখলিগঞ্জ ধাপড়া রাজ্য সড়ক থেকে বাগডোকরা মোড় হয়ে ডাঙ্গারহাট যাওয়ার একমাত্র রাস্তার উপর দুর্বল কাঠের সেতু। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১২ বছর আগে সেই সেতুতে দুর্বল সেতু বোর্ড টাঙানো হয়েছে। পাশাপাশি, চার চাকার বড় গাড়ি যেতে না পারে সেজন্য সেতুর আগে মাঝ বরাবর রাস্তায় লোহার খুটি পুঁতে দেওয়া হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী পাকা সেতু নির্মাণের জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন। বর্তমানে কাঠের সেতুটি আরও বিপজ্জনকভাবে রয়েছে।

এই সেতুর ওপর দিয়ে এলাকার অধিবাসীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। মাঝেমধ্যেই এই ভগ্ন সেতুর কাঠের পাটাতন ভেঙে পড়ছে। দ্রুত এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য বিভিন্ন সংগঠন এবং এলাকার অধিবাসীদের তরফে বারবার স্থানীয় প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়। এরপর তিস্তা কনস্ট্রাকশন ডিভিশনের তরফে রাজ্য সরকারের কাছে এই সেতু নির্মাণের একটি পরিকল্পনা পেশ করা হয়।

- Advertisement -

বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার প্রায় একমাস আগে রাজ্য সরকার তৎপরতার সঙ্গে এই সেতুর নির্মাণের জন্য ১১ কোটি টাকা মঞ্জুর করেন। রাজ্য সরকারের অনুমোদন চলে আসায় তিস্তা ব্রিজ কনস্ট্রাকশন ডিভিশন এই বহু প্রতীক্ষিত সেতু নির্মাণের জন্যই টেন্ডারের মাধ্যমে দরপত্র আহ্বান করেছেন। বর্তমানে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করার তৎপরতা দেখিয়েছে তিস্তা ব্রিজ কনস্ট্রাকশন। সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনা শুরু করেছে। পাশাপাশি, সেতু নির্মাণের কাজে যুক্ত নির্মাণ কর্মীদের জন্য অস্থায়ী ঘর তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। তারপরও দ্রুত কাজ শেষ হোক চান বাগডোকরা ফুলকাডাবরি বাসিন্দারা। তাদের দাবি, সেতু নির্মাণের কাজ যতক্ষণ না শেষ হচ্ছে ততক্ষণ আমরা বিশ্বাস করতে পারব না সেতু হবে কি না।

ডাঙ্গারহাটের এক ব্যবসায়ী মলয় রায় জানান, ২০১০ সালের বাম আমলে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। সেতুর খুঁটি অর্ধেক নির্মাণও হয়েছিল। কিন্তু অজানা কারণে বন্ধ হয়ে যায় কাজ। তাই যতক্ষণ না পর্যন্ত কাজ শেষ হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের উৎকণ্ঠা থাকবেই। তিস্তা ব্রিজ কনস্ট্রাকশনের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও জেলা পরিষদ সদস্যা ফুলতি রায় জানান, ভোট শেষ হল। খুব শীঘ্রই সানিয়াজান নদীর উপর সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে।