গঙ্গার ভাঙন অব্যাহত, আতঙ্কে প্রহর গুনছেন গ্রামবাসীরা

262

মানিকচক: শুক্রবার মাঝরাতে গঙ্গার ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছিল কেশরপুর কলোনির  বাঁধের একাংশ। হুহু করে  জল  ঢুকতে শুরু করে সংরক্ষিত এলাকায়। সেই অবিরাম স্রোত রবিবারও অব্যাহত রয়েছে। এরইমধ্যে গোদের উপর বিষফোড়ার মত  নতুন করে এই এলাকার অন্যত্রও গঙ্গার ভাঙনে বাঁধ তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে আরও আতঙ্কে রয়েছেন তিন অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ। এদিন বাঁধ এলাকা পরিদর্শনে যায় বাম প্রতিনিধিদল। অবিলম্বে ভাঙন রোধে স্থায়ী কাজ না হলে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন।

 রবিবার নতুন করে অশনিসংকেত দেখতে শুরু করেছেন গ্রামবাসীরা। শুক্রবার রাতে যেখানে বাঁধ কেটে গিয়েছিল তার ৫০০ মিটার উজানে কোশিঘাটের কাছাকাছি এলাকায় গঙ্গা ভাঙতে ভাঙতে বাঁধের একেবারে গোড়ায় চলে এসেছে। কিছুদিন আগে এখানে জরুরিভিত্তিতে বালির বস্তা দিয়ে ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ শুরু করেছে সেচ দপ্তর।  কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি বলেই ইভিযোগ। এজন‍্য সেচ দপ্তরকে দুষছেন দুর্গতরা। এ ব্যাপারে মালদা সেচ দপ্তরের নির্বাহি বাস্তুকার প্রণব কুমার সামন্ত বলেন,  ‘আমরা কিছুদিন আগে থেকেই সেখানে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করেছি। কিন্তু গঙ্গার যে তীব্রতা তাতে বাঁধের খুব কাছে চলে এসেছে নদী। তবু আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। দিনরাত কাজ চলছে। তবে বন্যার সম্ভাবনা নেই।’

- Advertisement -