জাপানি মন্ত্রীর মন্তব্যে গেমস নিয়ে ধোঁয়াশা

115

টোকিও: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী টোকিও সহ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে সে দেশের সরকার। অন্তত ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই জরুরি অবস্থা জারি থাকবে। এই সময়ে বিদেশি নাগরিকদের জাপানে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে। ফলে অলিম্পিক শুরুর ৬ মাস আগেও জাপানে গিয়ে অনুশীলন করার সুযোগ পাবেন না অ্যাথলিটরা। এমন কি ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা ফুটবল বা বেসবল লিগে বিদেশি খেলোয়াড়দের আসা এক প্রকার অসম্ভব হয়ে গিয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে অলিম্পিক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সে দেশের মন্ত্রী তারো কোনো।

গত কয়েকদিনে জাপানে ফের করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন শহর ও সংলগ্ন এলাকায় জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেই বর্তমানে এই জরুরি অবস্থার অধীনে রয়েছে। আগামী মাসে জে লিগের মরশুম শুরু হবে। পাশাপাশি ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নিপ্পন প্রোফেশনাল বেসবল লিগের ট্রেনিং শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদেশি খেলোয়াড়রা তাতে যোগ দিতে পারবেন না বলেই জানা গিয়েছে। এমনকি মরশুম শুরুর দুদিন আগে দেশের রাগবি লিগ স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্লাবের একাধিক খেলোয়াড় করোনা সংক্রামিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়ে হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে টোকিও অলিম্পিক শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু জরুরি অবস্থার জন্য গেমস শুরুর মাস ছয়েক আগে অ্যাথলিটরা অনুশীলনের জন্য জাপানে আসতে পারবেন না। এমনকি বিদেশ থেকে ফেরার অনুমতি পেলেও জাপানের খেলোয়ারড়দের ১৪ দিন কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে। সে সময় তাঁরা কোনও প্রতিযোগীতায় অংশ নেওয়া বা অনুশীলনের অনুমতি পাবেন না।

- Advertisement -

এরই মধ্যে জাপানের মন্ত্রী তারো কোনোর মন্তব্যে গেমস নিয়ে ধোঁয়াশা আরও বেড়েছে। তিনি বলেছেন, যেভাবে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে অনেক কিছুই হতে পারে। ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি ও স্থানীয় আয়োজকদের বিকল্প পরিকল্পনা নেওয়া উচিত। তবে সরকার অলিম্পিক ও প্যারা অলিম্পিক আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টোকিওর বাসিন্দাদের অধিকাংশই গেমস আরও পিছিয়ে দেওয়ার পক্ষে। তবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদ সুগা এর আগে চলতি বছরে নির্দিষ্ট সময়ে গেমস হবে বলে জানিয়েছেন।