বর্ধমান ৯ অগাস্টঃ এবার ধরনায় বসে প্রেমিকের মন জয় করল প্রেমিকা। ৩০ ঘন্টা ধরনার পর চার হাত এক হয়ে পূর্ণতা পেল প্রেমের। ধূপগুড়ির পর শুক্রবার আবারও এমন একটি ঘটনার সাক্ষি রইল পূর্ব বর্ধমানের মেমারি।
মেমারির থানা রোডের বাসিন্দা সুশান্ত দাসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল জামালপুর থানার খরদাপলাশী গ্রামের বাসিন্দা চুমকি মুদির। প্রায় সাড়ে তিনবছর প্রেমের পর চুমকিকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন সুশান্ত। কিন্তু সুশান্তকে  বিয়ে করার সিদ্ধান্ত অনড় থাকে চুমকি। বুধবার সুশান্তর বাড়ির সামনে ধরনায় বসে চুমকি। টানা ৩০ ঘন্টা  চুমকি  ধরনা চালিয়ে যাওয়ার পর  পাল্লারোড  পল্লীমঙ্গল সমিতির সদস্যরা দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসে। তারপরেই চুমকিকে বিয়ে করতে রাজি হন সুশান্ত। এরপর শুক্রবার মেমারির পাল্লারোড মধ্যবাজার কালি মন্দিরের সম্পন্ন হল সুশান্ত ও চুমকির বিবাহ। সমিতির সম্পাদক  সন্দীপন সরকার  জানিয়েছেন, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান  পার্থসারথী খাঁ সহ  এলাকার বিশিষ্ঠদের সঙ্গে নিয়ে তারা দুই পরিবারের সদস্যদের  বুঝিয়ে এই বিয়েতে রাজি করান । পল্লীমঙ্গল সমিতির ফান্ড থেকেই  বিয়ের আয়োজনের  খরচ বহন করা হয়।