গুজরাটের মসজিদ এখন ৫০ বেডের সেফ হাউস

95

নয়াদিল্লি : ধর্ম বড়, কিন্তু জীবনের চেয়ে বড় নয়, মাঝপথে কুম্ভমেলার সমাপ্তি ঘোষণা করে বলেছিলেন জুনা আখড়ার স্বামী অবধেশানন্দ। তাঁর কথারই যেন প্রতিধ্বনি উঠল গুজরাটের এক মসজিদে। করোনায় কাবু গুজরাটের মানুষের চিকিৎসার জন্য সেফ হাউস বানানো হল ওই মসজিদকে। ভদোদরার ওই মসজিদের ট্রাস্টির তরফে জানানো হয়েছে, অক্সিজেন এবং হাসপাতালে শয্যার অভাব হওয়ায় মসজিদকে ৫০ শয্যার সেফ হোম করা হয়েছে।

ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ইরফান শেখ মঙ্গলবার বলেন, রমজান মাসে মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, অন্যরাও এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে মানুষের পাশে দাঁড়াবে। গত ২৪ ঘণ্টায় গুজরাটে ১১,৪০৩ জন করোনায় সংক্রামিত হয়েছেন, যা এখনও পর্যন্ত রাজ্যে সর্বোচ্চ। গত একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১১৭ জনের। গুজরাটে এখনও পর্যন্ত সংক্রামিতের সংখ্যা ৪,১৫,৯৭২ জন।

- Advertisement -

সম্প্রতি গুজরাটে সিভিল হাসপাতালের বাইরে করোনা রোগীদের নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের লম্বা লাইন সকলের চোখে পড়েছে। রাজ্য সরকারের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছিল পরিস্থিতি সামাল দিতে সিভিল হাসপাতাল দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছে। সংক্রামিতদের ভর্তিও করানো হয়েছে। আসারভা এলাকায় সিভিল হাসপাতাল ক্যাম্পাসকে ১২০০ বেডের কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে তেলেঙ্গানায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির সৃষ্টি করেছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের দুই ভাই। করোনায় মৃত স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির অন্ত্যেষ্টি সম্পন্ন করেন তাঁরা। মৃত ব্যক্তির নাম মঘুলাইয়া। সম্প্রতি পেড্ডা কোডাপগল মণ্ডলের কাটেপল্লির বাসিন্দা মঘুলাইয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ভনসুবড়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর কোভিড ধরা পড়ে। এরপর তিনি মারা যান। কিন্তু তাঁর দেহ নিতে অস্বীকার করে পরিবার। তখন দুই ভাই সফি ও আলি এগিয়ে এসে মৃত ব্যক্তির সৎকারের ব্যবস্থা করেন।

ছত্তিশগড়ের এক মহিলা ডেপুটি পুলিশ সুপারকে সম্প্রতি দেখা গিয়েছে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই ব্যস্ত সড়কে সকলকে কোভিড বিধি মেনে চলার অনুরোধ করতে। এই দৃশ্য নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা প্রশংসায় ভরিয়ে দেন ওই আধিকারিককে।