গণপিটুনিতে আইসির মৃত্যুর পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু মায়ের

184

কিশনগঞ্জ: দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করতে গিয়ে শহিদ হয়েছিলেন বিহারের কিশনগঞ্জ সদর থানার আইসি অশ্বিনী কুমার। ঠিক তার পরদিনই ছেলের মৃত্যুর শোকে প্রাণ হারালেন মা পূর্ণিমা দেবী(৭০)। শনিবার ভোর রাতে নিজের বাড়িতেই প্রয়াত হন তিনি। হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে পূর্ণিমাদেবী মারা যান বলে জানিয়েছেন তাঁর ছোট ছেলে প্রবীণ কুমার। রবিবার দুপুরে জানকি নগরে শহিদ আইসি এবং তাঁর মায়ের শেষকৃত্য করা হবে বলে পরিবার সূত্রে খবর।

জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলের ৪টা নাগাদ শহিদের দেহ নিয়ে পুলিশের কনভয় তাঁর গ্রামের বাড়ি পাঁচু তোলায় পৌঁছোনোর পরে মা ও আত্মীয় স্বজনরা মৃতদেহ জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। বিকেলের দিকেই প্রয়াত পুলিশকর্তার স্ত্রী ও তিন সন্তান পাটনা থেকে গ্রামে এসে পৌঁছন। পূর্ণিয়ার জেলাশাসক রাহুল কুমার ও পুলিশ সুপার দয়া শঙ্কর জানকি নগরের গ্রামের বাড়িতে এসে স্বজনহারাদের শান্তনা দেন।

- Advertisement -

অপরদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার রাজ্যের ডিজিপি সঞ্জীব সিংহলকে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া নীতিশ কুমার সত্ত্বর প্রয়াত পুলিশকর্তার পরিবারকে সবরকমের আর্থিক বকেয়া প্রদান ও পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অপরদিকে, বিহার বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান ও সাংসদ পশ্চিম বঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে এই মর্মান্তিক গণপিটুনির ঘটনার তদন্তের জন্য শনিবার রাতে ইমেল বার্তা পাঠান বলে জানা গিয়েছে। এই অনুরোধ বার্তার কপি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির তরফে ভাইরাল করা হয়েছে। এছাড়া, পুলিশ সুপার কুমার আশীষ এদিন জানান, শহিদ আইসি অশ্বিনী কুমারের নাম গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ডের জন্য রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে।