শ্বশুর বাড়িতে ঢুকে শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্রের কোপ

404

রায়গঞ্জ: ৫০০ টাকা ধার নিয়েছিল শ্যালক। সেই টাকা নিয়েই শ্যালক ও জামাইবাবুর হাতাহাতি। দুজনকে ঠেকাতে গিয়ে আচমকাই ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হল শাশুড়ি। মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ থানার ১৪ নম্বর কমলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মিশন মোড় এলাকায়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

গুরুতর জখম শাশুড়ির নাম মিনা মজুমদার। এই ঘটনায় হতচকিত হয়ে পড়েন পাড়াপড়শিরা। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে তার অবস্থা ক্রমশ অবনতি হওয়ায় এদিন বিকেল চারটা নাগাদ উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে রেফার করেছে কর্তব্যরত শল্য চিকিৎসক।

- Advertisement -

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস খানেক আগে জামাইবাবুর কাছ থেকে ৫০০টাকা ধাড় নিয়েছিলেন শ্যালক রিপন মজুমদার। সেই টাকা সাত দিনের মধ্যে দেওয়ার কথা থাকলেও ওই টাকা না দেওয়ায় অশান্তি চলছিল। এদিন সকালে শ্বশুরবাড়িতে এসে টাকার জন্য শ্যালোক রিপন মজুমদারকে বেধড়ক মারধর করতে শুরু করে।

ধারালো অস্ত্র নিয়ে শ্যালককে খুন করার চেষ্টা করলে বাধা দিতে যায় শাশুড়ি। মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ খায় শাশুড়ি মিনা মজুমদার। এরপর সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত জামাই ধনঞ্জয় শীল। বর্তমানে মীনা দেবী মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। প্রতিবেশী সূত্রের দাবি, এদিন সকালে বাড়িতে ঢুকে শ্যালকের সঙ্গে দেখা করার নাম করে প্রথমে ঘর থেকে বের করে বেধড়ক মারধর শুরু করে। ছেলেকে বাঁচাতে গেলে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয় মা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে কি ৫০০ টাকার জন্যই খুন করার চেষ্টা নাকি অন্য কোনও কারণ। তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কর্ণজোড়া ফাঁড়ির পুলিশ।