ভোট বাজারে নজর কাড়ছে প্রার্থীর নামাঙ্কিত পোশাক

150

অমিতকুমার রায়, হলদিবাড়ি: নির্বাচনের দিন এগিয়ে আসতেই পাড়া-মহল্লা সহ নির্বাচনি এলাকায় জনসংযোগ চালাতে ছুটছেন প্রার্থীরা। ব্যানার-ফেস্টুন-পোস্টার সহ প্রত্যেক প্রার্থীই যেভাবে পারছেন সেভাবেই নিজের ও দলের প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রচারের নানান কৌশলের মধ্যে মেখলিগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় বিশেষ নজড় কেড়েছে পোশাকে ভোটের প্রচার। তবে তা যদি হয় প্রার্থীর মুখের ছবি, প্রার্থীর নাম ও প্রতীক সম্মিলিত ফতুয়া বা টি-শার্টে, তবে ব্যাপারটা সত্যিই একটু চোখে ধরে।

নির্বাচনি প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে দলীয় পতাকা, পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল প্রতিটি নির্বাচন ক্ষেত্রে সমানভাবে শোভা বৃদ্ধি করে। সঙ্গে প্রার্থীদের পদচারণায় নির্বাচনি মাঠ সরগরম হয়ে উঠে। আর এসবের মাঝে প্রচারে নতুনত্ব এনে দেবে নির্বাচনি প্রতীক, নাম ও মুখের ছবি সম্মিলিত পোশাকগুলো, এমটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

- Advertisement -

মেখলিগঞ্জ বিধানসভা ক্ষেত্রের অন্তর্গত হলদিবাড়ি ব্লকের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা দলীয় প্রার্থী পরেশচন্দ্র অধিকারির সমর্থনে প্রচার কাজ চালাচ্ছে।  কর্মীরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে ব্লকের বিভিন্ন এলাকা চষে বেরিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন তারা। এলাকার প্রতিটি বাড়ি, বাজার, খেতখামারে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে দলীয় প্রার্থীর জন্য ভোট প্রার্থনা করছেন তারা। প্রচারে বেরোনোর সময় তাঁদের পছন্দের পোশাক টি-শার্ট। আর এই টি-শার্টে রয়েছে নির্বাচনি প্রতীক, নাম ও মুখের ছবি। সঙ্গে ভোট দেওয়ার আবেদন।

 এ প্রসঙ্গে মেখলিগঞ্জ বিধানসভা ক্ষেত্রের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রার্থীদের কুশল বিনিময়, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনসহ বিভিন্নভাবে প্রার্থীরা যেমন সবসময় জনগণের চোখের সামনে থেকে নিজের প্রতীক বোঝাতে চান, ঠিক তেমনি পোশাকেও প্রার্থীর মুখের ছবি ও প্রতীক ব্যবহারে তা প্রচারের ক্ষেত্রে আনছে ভিন্ন মাত্রা। কেননা দলীয় প্রতীকের পোশাক পরে একদল কর্মী যখন সামনে আসেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই সবার নজর চলে যায় সেই পোশাকে।

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের হলদিবাড়ি ব্লক কমিটির সভাপতি মাসুক সরকার বলেন,এই পোশাকগুলো দলের তরফে দেওয়া হয়েছে। পারমেখলিগঞ্জ অঞ্চল কমিটির সভাপতি রাব্বানী সরকার বলেন, ‘প্রতিদিন ওই টি-শার্ট পরেই পচারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তাতে ভালোই সাড়া মিলছে।’