বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলেন পঞ্চায়েত সদস্য

155

হেলাপাকড়ি: বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন পদমতি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/২৬৮ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য নিরঞ্জন দাস। বুধবার নিজের বাড়িতেই তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে দল বদল করেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের পদমতি-২ অঞ্চল সভাপতি ফণীভূষণ সেন আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে দলীয় ঝাণ্ডা তুলে দেন। দলের ময়নাগুড়ি-২ ব্লক সাধারণ সম্পাদক শিবু বড়ুয়া, প্রাক্তন ব্লক সহ সভাপতি সুনীল বসাক, অঞ্চল যুব সভাপতি তুষারকান্তি রায় প্রমুখ এদিনের যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন নিরঞ্জনবাবু। গত ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে দলের ভরাডুবি অবস্থা দেখে প্রধান লিপিকা রায়, উপপ্রধান বিশ্বজিৎ রায়, পঞ্চায়েত সদস্য ভারতী রায়, অঞ্জলি রায় ও নিরঞ্জন দাস এই পাঁচজন তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বাকিরা তৃণমূলে ফিরলেও নিরঞ্জনবাবু বিজেপিতেই থেকে যান। এবারের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাল ফল হওয়ায় ফের দল বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

- Advertisement -

নিরঞ্জনবাবু বলেন, ‘গত লোকসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির অবস্থা দেখে হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে এলাকার উন্নয়ন করতে চেয়েছি। কিন্তু বিজেপিতে থেকে জনগণের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তা এখন বুঝতে পেরেছি। বিধানসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর বিজেপি নেতারা চারদিকে তাণ্ডব শুরু করে। সেই তাণ্ডব থেকে রেহাই পেতে এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আবার তৃণমূলে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তৃণমূল কংগ্রেসের পদমতি-২ অঞ্চল সভাপতি ফণীভূষণ সেন বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েই ভোটে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েছেন তিনি। পরে ভুল বুঝে বিজেপিতে চলে যান। এখন সেই ভুল বুঝতে পেরে তৃণমূলে আবার ফিরে আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। দলের তরফেও তাঁকে সাদরে গ্রহণ করা হল।’