পঞ্চায়েত সমিতির দপ্তর সরানোর অভিযোগে মাটিতে বসেই কাজ সারলেন সভাপতি

78

পুরাতন মালদা: পুরাতন মালদা অফিস থেকে পঞ্চায়েত সমিতির দপ্তর সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে দপ্তরের সামনে মাটিতে বসে কাজ চালাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মৃণালিনী মাইতি। সোমবার তিনি অফিসে এসে দেখেন তাঁর দপ্তরে অন্য কাউকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তখনই প্রতিবাদে অফিসের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখান তিনি। পরবর্তীতে মাটিতে বসেই দপ্তরের কাজকর্ম চালাচ্ছেন। এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিডিও অফিস চত্বরে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির সঙ্গে আরও অন্যান্য কর্মদক্ষরাও এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। বিডিওর এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ তৃণমূলের তরফে করা হয়েছে। পুরাতন মালদার বিডিওর সঙ্গে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির সংঘাত প্রকাশ্যে। অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁর অফিস সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দপ্তরের বাইরে নিচে বসে কাজ করছেন সভাপতি এই বিষয় জানা নেই বলে দাবি পুরাতন মালদার বিডিও ইরফান হাবিবের। তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং তাদের স্বামীদের সঙ্গে ব্লক অফিসের স্টাফদের বিবাদ হয়েছিল। মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। সেকারণেই বিডিও অফিস এবং পঞ্চায়েত সমিতির অফিসকে আলাদা করা হল।’ এই বিষয় জানা নেই বলে দাবি জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্রর। খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। অন্যদিকে, পুরাতন মালদা তৃণমূল নেতৃত্ব ব্লক আধিকারিকের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

- Advertisement -

তৃণমূল নেতা বিদ্যুৎ ঘোষাল জানান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দপ্তরের ঘরটি সরানো উচিত হয়নি কারণ দীর্ঘদিন ধরে এই ঘরটিতে সভাপতি কাজকর্ম করতেন। এই ঘরের জন্য পঞ্চায়েত সমিতির ফান্ড থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়ে ঘরকে সাজানো হয়েছে। এর আগেও নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পর আবার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে তাঁর দপ্তরের ঘর ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই বিডিও কেন এমনটা করছে কিছু বোঝা যাচ্ছে না।