বিশ্বভারতীর মাটিকে প্রণাম জানিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সূচনা প্রধানমন্ত্রীর

103

নয়াদিল্লি: ভার্চুয়ালি বিশ্বভারতীর মাটিকে প্রণাম জানিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার আম্রকুঞ্জে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য পেশ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। সমাবর্তনে ২ হাজার ৫৩৫ জন পড়ুয়াকে ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে।

- Advertisement -

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভাল হত সমাবর্তন উৎসবে নিজে আসতে পারলে। দূর থেকেই বিশ্বভারতীর পবিত্র মাটিকে প্রণাম। পড়ুয়াদের প্রতি রইল আমার শুভকামনা।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৭৫ বছরে বিশ্বভারতীর কর্তব্য দেশকে জাগরিত করা। স্বাধীনতার শতবর্ষে কী হবে বিশ্বভারতীর ২৫ লক্ষ্য? আশপাশের গ্রামগুলোকে আত্মনির্ভর তৈরি করলে কেমন হয়? সবাইকে আত্মনির্ভর করুন, গ্রামে যা উত্পন্ন হয়, তাকে আন্তর্জাতিক করুন।’ ‘ভারতের বর্তমান শিক্ষানীতি পড়ুয়াদের স্বাধীনতা দিচ্ছে। আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলতে নতুন শিক্ষানীতি জরুরি। নতুন গবেষণার জন্য আগামী ৫ বছর ৫০ হাজার কোটি বরাদ্দের প্রস্তাব। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষায় শামিল করা হবে ছাত্রীদেরও।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, সমাজের উন্নতির জন্য মিলেমিশে কাজ করি। জ্ঞান-বিচার-উৎকর্ষ এক জায়গায় থেমে থাকে না। জ্ঞান ও ক্ষমতা আসে দায়িত্ববোধ থেকে। ক্ষমতায় থাকলে সংযমী ও ধৈর্যশীল হওয়া জরুরি। আপনার চিন্তাধারা সমাজকে গৌরবান্বিত করে। তেমনি আপনার চিন্তাধারা সমাজকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করতে পারে। আপনার মানসিকতা সদর্থক রাখতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কবিগুরুর কাছে বিশ্বভারতী ছিল সংস্কৃতির শীর্ষে যাওয়ার চেষ্টা। আমাদের নিজেদের দিকে তাকানোর সময় এসেছে। ভারতের বিবিধতার কথা বলেছেন রবীন্দ্রনাথ। কবিগুরু এখানেই দেখেছেন বিশ্বমানবকে।’ ‘ভারতের ঐক্যকে মজবুত করতে হবে। মনে রাখতে হবে রবীন্দ্রনাথের অখণ্ড দেশ নিয়ে বার্তা। গুরুদেব বিশ্বভারতীকে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখেননি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দিয়েছিলেন বিশ্বভারতী।’