চারদিনেও শুরু হল না দুর্গাপুর ব্যারেজের ভেঙে যাওয়া লকগেট মেরামতের কাজ

244

রাজা বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: চারদিন পরও শুরু হল না দুর্গাপুর ব্যারেজের ভেঙে যাওয়া ৩১ নম্বর লকগেট মেরামতের কাজ। মূলত দামোদর নদীর জল আটকানো না যাওয়ায় সেই কাজ শুরু করা যায়নি। তবে, গত তিনদিনের তুলনায় ব্যারেজের জল বেশ কিছুটা হলেও কমেছে।

সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের আশা, মঙ্গলবার রাতেই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। সেই কাজ শুরু হলে, গেট মেরামত করতে ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টার মতো সময় লাগবে। তারপর মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ডিভিসি কর্তৃপক্ষ জল ছাড়া শুরু করবে। সেই জল দুর্গাপুর ব্যারাজে আসতে আরও ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার বিকালের আগে দুর্গাপুর ব্যারেজের জলস্তর ঠিক হবে না। মঙ্গলবার দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শনে আসেন বাঁকুড়ার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার। লকগেট ভেঙে যাওয়ার পরে ব্যারেজ জলশূন্য করে দেওয়ায় জলের অভাব দেখা দিয়েছে দুর্গাপুরের পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলাতেও। দুর্গাপুর পুরনিগমের তরফে পুর এলাকার জলের সংকট কাটাতে সবরকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিন মেয়র দিলীপ অগস্থি বলেন, ‘জল না আটকানোয় ভেঙে যাওয়া লকগেট মেরামতের কাজ করা যাচ্ছে না। আশা করা হচ্ছে, এদিন রাতে কাজ শুরু হয়ে যাবে। সেই কারণে পুর এলাকায় জলের সংকট কিছুটা হয়েছে। আমরা সব ব্যবস্থা নিয়েছি। জলের পাউচ দেওয়া হচ্ছে। ট্যাংকারে করে এলাকায় এলাকায় জল দেওয়া হচ্ছে। পুরবাসীদের কাছে, জল অপচয় না করতে পরামর্শ দিচ্ছি।’

- Advertisement -

চারদিনেও শুরু হল না দুর্গাপুর ব্যারেজের ভেঙে যাওয়া লকগেট মেরামতের কাজ| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

অন্যদিকে, পুরনিগমের জল বিভাগের মেয়র পারিষদ পবিত্র চট্টোপাধ্যায় জানান, মোট ৮৭টি ট্যাংকারে করে জল দেওয়া হচ্ছে। ৪টি পাম্প দিয়ে জল তোলা হচ্ছে। কলকাতা মিউনিসিপ্যাল থেকে ১৬টি ট্যাংকার এসেছে। আসানসোল পুরনিগম সহ বিভিন্ন সংস্থা ট্যাংকার পাঠিয়েছে। গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার সকালে দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩১ নম্বর লকগেট ভেঙে যায়। এরপর থেকে বালির বস্তা ফেলে দামোদর নদীর জল আটকানো চেষ্টা করা হচ্ছে। এর আগে ২০১৭ সালে একইভাবে ব্যারেজের ১ নম্বর লকগেট ভেঙে যায়। সেচ দপ্তর জানিয়েছে, পে লোডার নামিয়ে দামোদরে প্রাথমিক কাজ করা হচ্ছে। জল আটকানো হলেই কাজ শুরু হবে। সেচ দপ্তরকে এই কাজে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে ডিএসপি বা দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা।