পিএলএ-র শীর্ষ পদে রদবদল, অভিজ্ঞতাকে দিয়েই ভারতীয় সেনাকে চাপে রাখার চেষ্টা চিনের

140
সংগৃহীত

পোর্টাল ডেস্ক : পনেরো মাস ধরে লাগাতার আলাপ-আলোচনা সত্ত্বেও এখনও বলা যায় লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় পুরোপুরি ভাবে ফিরেছে স্থিতাবস্থা। সমস্ত সংঘর্ষ-বিন্দু থেকে এখনও সেনা সরায়নি চিন। উল্টে ভারতের টহলদারি পোস্টে থানা গেড়ে বসে রয়েছে পিপলস লিবারেশন আর্মি। এমতাবস্থায় পিএলএ-র শীর্ষ পদে এল বড়সড় রদবদল। পিপলস লিবারেশন আর্মির ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড থেকে সরাসরি জেনারেল পদমর্যাদায় উন্নিত হলেন জু কিলিং।

সম্প্রতি পিএলএ-র এই শীর্ষ স্থানীয় কমান্ডারকে নতুন গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন খোদ চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং। এদিকে সেদেশের নীতি অনুযায়ী শি আবার কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের (সিএমসি) চেয়ারম্যানের দায়িত্বও সামলান। বলা ভালো পিএলএর সামগ্রিক হাই কমান্ডও রয়েছে চিনা প্রেসিডেন্টের হাতেই। সেই ক্ষমতা ব্যবহার করেই ৫৮ বছরের জু কিলিংকে সেনা আধিকারিকের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রদান করেছেন তিনি।

- Advertisement -

জু কিলিং ছাড়াও জেনারেলের দায়িত্ব পেয়েছেন পিএলএ-র আরও তিন সেনা কর্তা। তালিকায় রয়েছেন সাউদার্ন থিয়েটার কমান্ডের কমান্ডার ওয়াং জিউবিন, পিএলএ সেনাবাহিনীর কমান্ডার লিউ ঝেনলি, এবং পিএলএ স্ট্র্যাটেজিক সাপোর্ট (মিসাইল) ফোর্সের কমান্ডার জু কিয়ানশেং। তবে সেনা কর্তাদের নতুন দায়িত্ব ও পদমর্যাদের রদবদলের পিছনে অন্য গন্ধ পাচ্ছে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। অনেকেরই ধারণা সীমান্তে ভারতের উপর ফের চাপ বৃদ্ধি করতেই নতুন করে ঘুঁটি সাজাচ্ছে বেজিং।

এমনকী সেই কারণেই পুরনো রথী-মহারথীদের দেওয়া হচ্ছে নতুন দায়িত্ব। তাদের অভিজ্ঞাতাকে কাজে লাগিয়েই ভারতীয় সেনাকে নতুন করে বেকায়দায় ফেলতে চাইছেন শি জিংপিং। এদিকে এই জু কিলিংকে গত বছরের ৫ জুন ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড গ্রাউন্ড ফোর্সের প্রধান করা হয়েছিল। একই সময়ে, লাদাখে ভারতের সাথে সীমান্ত সংঘর্ষের আবহে, ১৯ ডিসেম্বর তদানন্তীন জেনারেল ঝাও জংকিকে বদলে জেনারেল জাংকে কমান্ডের প্রধান করা হয়।