নর্দমার জল পরিশ্রুত করার প্রকল্প বিশবাঁও জলে, শহরের নোংরা কালজানিতেই

57

আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার শহরের জঞ্জালের বোঝা টানতে হচ্ছে সেই কালজানি নদীকেই। বৃষ্টি শুরু হতেই শহরের বিভিন্ন নর্দমা দিয়ে নোংরা আবর্জনা ভেসে চলে যাচ্ছে কালজানি নদীর পারে দ্বীপচর স্লুইস গেটের দিকে। ওই গেটের মুখ বর্তমানে খোলা থাকায় নালা দিয়ে ভেসে আসা সব জঞ্জাল সরাসরি চলে যাচ্ছে কালজানি নদীতে। দূষিত হচ্ছে কালজানি নদীর জল। আলিপুরদুয়ার শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কালজানি নদীর জলের দূষণ এড়াতে মিউনিসিপাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমেই শহরের নর্দমার জল পরিশ্রুত করে তবেই তা নদীতে ফেলা হবে বলে পুরসভা থেকে ঘোষণাও করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রকল্প কার্যত বিশবাঁও জলে।

দ্বীপ চর এলাকার বাসিন্দাদের বক্তব্য, স্লুইস গেটের মুখে নেট বসালে তাতে ওই এলাকার আশেপাশের বাড়ির জঞ্জাল ভেসে যায়। নদী দূষণ এড়াতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এখানে জল এবং জঞ্জাল পরিশ্রুতকরণের পরিকাঠামো গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

- Advertisement -

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমইডির এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ‘নর্দমার জল পরিশ্রুত করে জঞ্জালমুক্ত করে তা নদীতে ফেলার যে প্রকল্প সেটা রূপায়ণ করতে অন্তত দু বছর সময় লাগবে। আপাতত নর্দমার মুখে নেট লাগিয়ে নদীতে জঞ্জাল যাওয়া আটকাতে অস্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। দ্বীপচর এলাকায় ওই কাজ করতে গিয়েছিলেন দপ্তরের কর্মীরা। স্থানীয় বাধায় সেই কাজ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। আলিপুরদুয়ার পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারপার্সন মিহির দত্ত বলেন, ‘অপচনশীল জঞ্জাল ও নোংরা জল নদীতে গিয়ে পড়লে নদীর পরিবেশের ক্ষতি হয়। দ্রুত ওই প্রকল্প রূপায়নের কাজ করা সম্ভব হয়, সে ব্যাপারে এমইডির ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলা হবে।‘