দিদিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, পালিয়ে বাঁচল বোন

276

মালদা: বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে এক আদিবাসী যুবতীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল দুই আদিবাসী যুবকের বিরুদ্ধে। যুবতীর বোনকেও অন্য দুই যুবক তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার রাতে মালদার হবিবপুর থানার মঙ্গলপুরা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। মেয়ের ধর্ষণের খবর শুনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে মেয়েটির মায়ের। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হবিবপুর থানার পুলিশ। রাতেই একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে যান জেলা পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া সহ জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি নির্যাতিতা দুই বোন ও তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরছিল দুই বোন। হঠাৎ একটি বাইক তাদের পথ আটকায়। বাইকে থাকা দুই যুবক বড় বোনকে তুলে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে আরও একটি বাইকে দুইজন এসে ছোট বোনকেও উঠিয়ে নেয়। অভিযোগ, বড় বোনকে রাস্তার পাশের একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে দুই যুবক। যুবতী চিৎকার করলে আশেপাশের বাসিন্দারা ছুটে আসে। গ্রামের বাসিন্দাদের দেখে পালিয়ে যায় দুই অভিযুক্ত। গভীর রাতে অভিযুক্তদের হাত থেকে কোনও রকমে পালিয়ে বাড়ি ফিরে আসে ছোট বোনও। রাতেই খবর পেয়ে গ্রামে যায় পুলিশ। সমস্ত ঘটনা শুনে রাতেই একজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে বাকিরা এখনও পলাতক। এদিকে দুই মেয়ের সঙ্গে এমন ঘটনা মেনে নিতে পারননি মা। মেয়েদের নির্যাতনের কথা শুনে রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বুধবার সকালে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

- Advertisement -