শ্বশুরবাড়িতে ষষ্ঠী করতে গিয়ে এই কাজ করতে হল জামাইদের

150

রামপুরহাট: বেহাল গ্রাম থেকে শহরে পৌঁছোনোর রাস্তা। ষষ্ঠীতে গিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে শ্বশুরবাড়ির গ্রামের সেই রাস্তা সংস্কারে গ্রামবাসীদের সঙ্গে হাত লাগালেন জামাইরাও। এমনই ছবি দেখা গেল বীরভূমের ময়ূরেশ্বর-১ এবং রামপুরহাট-১ নম্বর ব্লকের দুটি গ্রামে। যদিও রাস্তা নির্মাণ নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

ময়ূরেশ্বর-১ নম্বর ব্লকের মল্লারপুর-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোয়ালা গ্রামের স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র থেকে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার মাটির রাস্তা তৈরি হয়েছিল কয়েক বছর আগেই। নিজেদের তাগিদে গ্রামের রাস্তা নির্মাণে দিন তিনেক আগে হাত লাগান গ্রামবাসীরা। স্বেচ্ছাশ্রমে জমির মাটি কেটে রাস্তায় ফেলতে শুরু করেন তাঁরা। বুধবার ছিল জামাই ষষ্ঠী। তাই এদিন শ্বশুর বাড়ি গিয়েছিলেন সাঁইথিয়ার জিতেন মুখোপাধ্যায়, রামপুরহাটের মিঠুন দাস, মুর্শিদাবাদের উমরপুরের সিদ্ধার্থ দাসরা। শ্বশুরবাড়ির গ্রামে রাস্তার বেহাল দশা দেখে গ্রামবাসীদের সঙ্গে স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি ফেলতে হাত লাগিয়েছিলেন তাঁরাও। জিতেনবাবু বলেন, ‘এই রাস্তাটা নির্মাণ হলে আমাদের শ্বশুরবাড়ি যাতায়াত খুব সহজ হয়।’

- Advertisement -

গ্রামের বাসিন্দা বাহাদুর রুইদাস বলেন, ‘আমাদের রামপুরহাট যেতে হলে মল্লারপুর হয়ে ঘুর পথে যেতে হয়। কিন্তু রেলগেটে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অথচ গ্রামের ভিতর দিয়ে এই রাস্তা নির্মাণ হলে রামপুরহাট পৌঁছোতে প্রায় ঘণ্টাখানেক সময় কমে যাবে। তাই আমরা দিন তিনেক আগে নিজেরাই রাস্তা নির্মাণে হাত লাগাই। এদিন জামাইরাও আমাদের সঙ্গে হাত লাগিয়েছিলেন।’ গ্রামের বাসিন্দা পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপির সন্তু বাগদি বলেন, ‘এই রাস্তা সম্পূর্ণভাবে নির্মাণ করতে গেলে ৭০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। ওই পরিমাণ টাকা পঞ্চায়েতের হাতে নেই। বিষয়টি আমরা বিডিওকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।’ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সমীর লোহার বলেন, ‘ওই রাস্তা নির্মাণের ক্ষমতা পঞ্চায়েতের নেই।’