ইভিএম-এর মডেল তৈরি করে তাক লাগাল পড়ুয়ারা

121

নাগরাকাটা: ইভিএম-এর মডেল তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিল নাগরাকাটার বিভিন্ন চা বাগান অধ্যুষিত এলাকার ছাত্রছাত্রীরা। ব্লক নির্বাচনীর তরফে স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে সম্প্রতি একটি মডেল ইভিএম তৈরির প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। সোমবার বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে তাদের তৈরি ইভিএম স্থানীয় বাসিন্দাদের সামনে প্রদর্শন করা হয়। এতে হাজির হন বহু নতুন ভোটারও। ইভিএম-এর পাশাপাশি ভিভিপ্যাট এর কার্যকারিতাও তাঁরা তাদের তৈরি মডেলের মাধ্যমে সকলকে বুঝিয়ে দেন। এবার ওই মডেল ইভিএম বিভিন্ন এলাকা ও গ্রামাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হবে ভোটারদের ভোট দেবার ব্যাপারে সচেতন করবার জন্য। জেলার নিরিখে নির্বাচনের আগে এধরণের কর্মসূচি প্রথম নাগরাকাটা ব্লক প্রশাসনের তরফে নেওয়া হল।

বিডিও বিপুল কুমার মণ্ডল বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্ভাবনী শক্তি প্রকৃত অর্থেই তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। ওদের প্রত্যেককে অভিনন্দন জানাই। এদিন ইভিএম তৈরির প্রতিযোগিতায় যারা অংশগ্রহণ করেছিল তাদেরকে নির্বাচন কমিশনের লোগো সম্বলিত স্মারক এবং পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। গুণগত উৎকর্ষতার নিরিখে এতে প্রথম হয় নাগরাকাটা হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র বাণীব্রত কর্মকার। দ্বিতীয় স্থান দখল করে সেন্ট ক্যাপিটানিও গার্লস স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী প্রীতি প্রসাদ এবং দশম শ্রেণীর ছাত্রী মহেক প্রসাদ। তৃতীয় স্থান অধিকার করে ওই স্কুলেরই একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিব্যামালা লাকড়া। এছাড়াও এতে অংশ নেয় সেন্ট ক্যাপিটানিও গার্লস হাইস্কুলের নন্দিতা মুন্ডা, সুলকাপাড়া হাই স্কুলের উজ্জ্বল বর্মন, নাগরাকাটা হিন্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জুলি কুমারি সোনারের মত প্রত্যন্ত চা বাগান ও বনবস্তির ছাত্রছাত্রীরা।

- Advertisement -

ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য ব্লকের আইকন পোলিও আক্রান্ত যুবক রামসুরত মাঝি। রামসুরত এর আগে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে রোল মডেলের খেতাব পেয়েছিলেন। তিনি শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে ২০১০ সালে প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার কিলোমিটার ভারর ভ্রমন করেন। ব্লকের সহ নির্বাচনী আধিকারিক পিনাকী রায় বলেন, ‘ভোটারদের সচেতন করতে আরো নানা কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে।’