দোকানঘর ও বাড়ির জমা জল বের করতে উদ্যোগী হলেন ব্যবসায়ীরাই

236

ময়নাগুড়ি: রাতভর টানা বৃষ্টির জেরে ময়নাগুড়ি শহরের বিস্তীর্ণ এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত। শনিবার শহরের জাগৃতিমোড়ের ২০-২৫ টি দোকানঘর জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে দোকান ঘরের পেছনে বেশকয়েকটি বসতভিটেও।

ঘটনাটি ঘটেছে, ময়নাগুড়ি ধূপগুড়ি ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে জাগৃতিমোড় এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, জাগৃতিমোড় ঘুমটি ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা নিজেরাই পাকা রাস্তায় আটকে পরা হিউম পাইপের মুখ খুলে দেওয়ার কাজ শুরু করলেন।

- Advertisement -

এদিন ব্যবসায়ীদের একাংশ অভিযোগ করে বলেন, মোট ২০ থেকে ২৫ টি ব্যবসায়ীদের দোকান জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। জগৎজিৎ শর্মা, নয়ন বিশ্বাস ও মহাবীর আগরওয়ালাদের মতো ব্যবসায়ীদের দোকান ঘরের পেছনে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি, ময়নামাপাড়ার ধীরাজ আগরওয়াল সহ বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি জলমগ্ন। জাগৃতিমোড়ে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের নিচে বসানো হিউম পাইপ আটকে এই বিভ্রান্ত ঘটেছে আগে থেকেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যবসায়ীরা আর্থমুভার দিয়ে হিউম পাইপের মুখ খুলে দেওয়ার চেষ্টা চালান। শনিবার ফের সকাল থেকেই ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে কাজ শুরু হয়। ব্যবসায়ী গৌতম বিহানী জানান, ইতিমধ্যে প্রায় ৬ হাজার টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে।

অন্যদিকে, খবর পেয়ে এদিন সকালে ঘটনাস্থলে আসেন ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার। এদিন তিনি বলেন, ‘লক্ষ্য রাখা হচ্ছে যাতে পাকা রাস্তা না ভেঙে যায়। পরবর্তীতে এখানে একটি বক্স কার্লভার্ড নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে এলাকার ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা প্রয়োজন।‘

ময়নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সজল বিশ্বাস বলেন, ‘বেআইনি নির্মাণ এবং নর্দমার মুখে আবর্জনা ফেলার ফলেই নর্দমার মুখ আটকে গিয়েছে।‘

পাশাপাশি, ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি ঝুলন স্যান্যাল বলেন, ‘আমরা পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে জাগৃতিমোড়ে একটি কার্লভার্ড নির্মাণের প্রস্তাব দেব। আপাতত ওই রাস্তা দিয়ে বড়ো যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে একপাশ দিয়ে ছোট যানবাহন চলাচল করছে।‘