প্রচারে গিয়ে ভোটারকে কোলে তুলে ছুটলেন তৃণমূল প্রার্থী

129

মোস্তাক মোরশেদ হোসেন, আলিপুরদুয়ার: কথায় আছে ভোট বড় বালাই। তাই ভোট আসতেই ভোটারদের হাত ধরে অনুরোধ কিংবা হাত ধরে টেনে নিয়ে নিজের মাথায় ছুঁইয়ে আশীর্বাদ নেওয়া তো রয়েছেই। এছাড়াও ভোট পেতে ভোটারদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করার রেওয়াজ বহু পুরোনো। তবে ভোটের আবহে ভোটারকে কোলে তুলে নেওয়ার মতোন ঘটনা কখনও ঘটেছে বলে মনে পড়ে না। তাতে কি? ভোটারদের মন পেতে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম সারার পাশাপাশি কোলে তুলে নিয়ে আপন মনে ছুটলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রাজেশ লাকড়া ওরফে টাইগার। মঙ্গলবার পর্বে রাঙ্গালিবাজনা গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় পৌঁছোন তিনি। সেখানে এক ভোটারকে কোলে তুলে নিয়ে বাড়ি পৌঁছে দিলেন খোদ প্রার্থী।

এদিন দলদলিয়া, ধূমচী, নবীপুর এলাকায় প্রচারাভিযান সারেন প্রার্থী টাইগার। এমএলএর হাট ও গোপালপুর চা বাগানে দু’টি পথসভাও করেন তিনি। প্রচারাভিযানের পাশাপাশি ধূমচী এলাকায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত বৃদ্ধা ভোটারকে রাস্তায় দেখে কোলে তুলে নিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেন টাইগার। তবে বলতে ভোলেননি, ‘মা, জোড়া ফুল চিহ্নেই ভোট দেবেন।’ পেছনে তখন তৃণমূলের সমর্থকরা শ্লোগান দিচ্ছেন, ‘মা মাটি মানুষ জিন্দাবাদ।’

- Advertisement -

মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের প্রচারে মড়িয়া হয়ে উঠেছে বিজেপি ও তৃণমূল। চা বাগানে ভোটের প্রচারে গিয়ে ভোটারদের দেদার প্রণাম করছেন দুই দলের প্রার্থী থেকে শুরু করে নেতা এমনকি কর্মীরাও। ভোটারদের কেউ কেউ অবশ্য নেতাদের এধরনের কার্যকলাপ নিয়ে আড়ালে আবডালে সমালোচনা করলেও সৌজন্যের খাতিরে মুখের ওপর এখনও পর্যন্ত কোনও বক্রোক্তি করেননি। অনেকেই আবার সৌজন্যের খাতিরে কিংবা ঝামেলা হতে পারে ভেবে যারাই প্রচারে আসছেন তাদের সুরে সুর মিলিয়ে কথা বলছেন। যেমন সম্প্রতি খয়েরবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় এক বৃদ্ধের কাছে আশীর্বাদ চান তৃণমূলের প্রার্থী টাইগার। বৃদ্ধও তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে কথা বলে মাথায় হাত বুলিয়ে আশীর্বাদ করেন। পরে অবশ্য জানা যায় তিনি সক্রিয় বিজেপি কর্মী।

তৃণমূলের প্রার্থী রাজেশ লাকড়ার বক্তব্য, উন্নয়নের বিনিময়ে ভোট চাইছেন তাঁরা। মাদারিহাটে তৃণমূলের জয় একশো শতাংশ নিশ্চিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।