পাকা সেতুর দাবিতে সোচ্চার গ্রামবাসীরা

68

রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ ব্লকের ১১ নম্বর বিরঘই অঞ্চলের ধর্মডাঙ্গি গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন বীনা নদীর ওপর স্থায়ী পাকা সেতুর দাবিতে সোচ্চার হয়ে আসছেন। অভিযোগ, নির্বাচনের আগে নেতা-মন্ত্রীরা গ্রামবাসীদের ভোট আদায়ের জন্য সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু কেউই কথা রাখেনি। বর্ষা শুরু হলে অস্থায়ী বাঁশের সেতু আর নৌকাই একমাত্র ভরসা গ্রামবাসীদের। প্রতি বছর বর্ষা শুরু হলেই নদীর জলের স্রোতে অস্থায়ী বাঁশের সেতুটি ভেঙে পড়ে। সেই সময় নদী পাড়াপাড়ের জন্য একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায় নৌকা।

প্রায় ১০ বছর আগে বিরঘই গ্রাম পঞ্চায়েত উদ্যোগ নিয়ে হিউম পাইপ দিয়ে নদীর উপর অস্থায়ী সেতু তৈরি করে দেয়। একবছর যেতে না যেতেই নদীর স্রোতে হিউম পাইপ দিয়ে তৈরি সেতুটি ভেঙে পড়ে। গ্রামবাসীরা নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে তৈরি করে বাঁশের সেতু। কিন্তু প্রতিবার নদীতে জল বাড়তেই বাঁশের সেতুটি ভেঙে পড়ে। সেইসময় গ্রামবাসীদের একমাত্র  ভরসা নৌকা। কোনও সময় নৌকা না থাকলে গলা বুক জল ভেঙে যাতায়াত করতে হয় বাসিন্দাদের। তা না হলে অনেকটা ঘুরে রায়গঞ্জে আসতে হয়। বসমনপাড়া, ঋষিপুর, কানাইপুর, মনোহরপুর, শাক ধোয়া, বাজিতপুর, কুমারডাঙ্গি, ধর্মডাঙ্গি বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষকে প্রায় ৬ থেকে ৭ মাস বাঁশের সেতু বা নৌকা দিয়ে পাড়াপাড় হতে হয়। এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। গ্রামবাসীদের দাবি, বর্ষার আগেই পাকা স্থায়ী সেতু তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করুক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা।

- Advertisement -

গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রফিকুল আলমের দাবি, সেতু ও সংযোগ রাস্তাটি পাকা করার অনেক টাকার প্রয়োজন। গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষে সম্ভব নয়। এবিষয়ে পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের সঙ্গে কথা বলব। অন্যদিকে, কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায়ের দাবি, আমি গ্রামবাসীদের সেতু নির্মাণের ব্যাপারে কথা দিয়েছি। আগামী ৫ বছরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করব। এব্যাপারে আমি অনেক জায়গায় কথা বলেছি।