সেতু পেলে তবেই ভোট, আন্দোলনে এককাট্টা গ্রামবাসী

112

হেমতাবাদ: উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে ভাতুন গ্রাম পঞ্চায়েত। সেখানে বয়ে গিয়েছে নোনা নদী। ওপারে সুরুয়াপাড়া, তাজপুর, মোহনপুর, গোপালপুর, খুলিয়ারা, ঝিনুকপুর গ্রাম। প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ সেখানে বসবাস করেন। কিন্তু হাট বাজার থেকে শুরু করে স্কুলে যাতায়াতের জন্য তাঁদের আজ একমাত্র ভরসা বাঁশের নড়বড়ে সাঁকো। তবে বর্ষায় নদীতে বান আসার ফলে সেই সাঁকো ভেসে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় যোগাযোগ। সমস্যায় দিন কাটাতে হয় আটটি গ্রামের মানুষকে। তাই এবার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভোট চাইতে এলে সেতু তৈরির পাকা কথা দিতে হবে প্রার্থীদের, এমনটাই দাবি বাসিন্দাদের।
পাকা সেতুর দাবিতে বারবার আন্দোলনে সরব হয়েছেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। গ্রামবাসী জানান, যে দলই জিতুক ভোটের পর নতুন সরকার সেতু গড়ার প্রক্রিয়া শুরু না করলে আন্দোলনের জন্য যেখানে যেতে হয় তারা যাবেন।
ভাতুন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মহম্মদ ইউসুফ অবশ্য জানান,সেতুর জন্য টাকা বরাদ্দ না হলে তাদের কিছু করার নেই। অন্যদিকে বিজেপির জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ি জানান, আসলে ওইসব গ্রামের বাসিন্দাদের ভোটের যন্ত্র হিসেবে রেখে দিয়েছে বাম আর তৃণমূল। তাই এত বছরেও সেতুর তৈরি হল না। জেলা পরিষদের সভাধিপতি কবিতা বর্মণ জানান, নদীর ওপর সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এলাকার জমি মাপার কাজ চলছে।