পুজো পর্যটনে নজর, খুলে গেল ভোরের আলো

শিলিগুড়ি : পুজো পর্যটনে নজর দিয়ে দরজা খুলল ভোরের আলোর। গজলডোবার টুরিজম হাবের পরিকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ নজর দিল পর্যটন দপ্তর। কোভিড পরিস্থিতিতে লকডাউনের জন্য যে প্রকল্পগুলির কাজ আটকে ছিল তা দ্রুতগতিতে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব।

কোন কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে তা নিয়ে তিনি বৃহস্পতিবার হাওয়া মহলে বৈঠক করেছেন। মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকটি কাজের ক্ষেত্রে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর ভোরের আলোকে নতুন আঙ্গিকে দেখা যাবে। দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর জ্যোতি ঘোষ বলেন, চারটা কটেজের জন্য অনলাইন বুকিং চালু করে দেওয়া হয়েছে। তাতে সাড়াও মিলছে। গজলডোবার সরকারি কটেজগুলির দরজা খোলায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। পাহাড়ে হোটেল খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও গজলডোবার ভোরের আলোর কটেজগুলির দরজা বন্ধ ছিল, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তিস্তাপাড়ের কটেজগুলি প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে হওয়ায় কোভিড পরিস্থিতিতে তা বেড়ানোর জন্য আদর্শ বলে বক্তব্য সংশ্লিষ্ট মহলের। কবে কটেজগুলির দরজা খুলবে, সেই খোঁজ নিচ্ছিলেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা।

- Advertisement -

অবশেষে বুধবার থেকে অনলাইন বুকিং চালু করে দিল পর্যটন দপ্তর। জানা গিয়েছে, অনলাইন বুকিং চালুর আগে প্রত্যেকটি কটেজ স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্যানিটাইজ হয়েছে। তবে ছয়টি কটেজের মধ্যে বর্তমানে চারটি কটেজের জন্য বুকিং চালু করা হয়েছে। নতুন করে বেশ কিছু কটেজ তৈরির কাজ গত বছর হাতে নিয়েছিল পর্যটন দপ্তর। লকডাউনের জন্য কাজ থমকে থাকলেও চলতি আর্থিক বছরের মধ্যে কটেজ তৈরির কাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোরের আলো প্রকল্পের বড় সমস্যা, বর্ষার সময় বা অতিবৃষ্টিতে জল জমে যাওয়া, যার জন্য পাম্পহাউস তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু প্রকল্পটির কাজ শেষ না হওয়ায় চলতি বছর পাম্প মেশিন ব্যবহার করতে হয়েছে।

জ্যোতিবাবু জানান, পাম্পহাউসের কাজ প্রায় শেষের পথে। চলতি আর্থিক বছরের মধ্যেই পাম্পহাউসটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও দমকলকেন্দ্র, উড়ালপুলের কাজ দ্রুতগতিতে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি প্রকল্প নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। ডেপুটি ডিরেক্টর বলেন, মন্ত্রী যেভাবে প্রত্যেকটি কাজের তদারকি করছেন, তাতে নতুন বছরে ভোরের আলোকে নতুন আঙ্গিকে দেখা যাবে।