কুয়ো ধসে মাটির তলায়, প্রাণে বাঁচলেন মহিলা

105

আসানসোল: আচমকাই ধসে মাটির নিচে চলে গেল কুয়ো। জল তুলতে গিয়ে কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচলেন এক মহিলা। ঘটনার পরে গ্রামবাসীরা ইসিএলের কোলিয়ারির এজেন্ট অফিসে এসে এজেন্টের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। কোলিয়ারি কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে ওই এলাকার একটি পরিবারকে অস্থায়ীভাবে কোনও আবাসনে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। কিন্তু, ইসিএলের কাছে গ্রামবাসীদের দাবি ছিল বিকল্প কুয়ো তৈরি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ইসিএল কর্তৃপক্ষ গ্রামবাসীদের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। তাঁরা বলেন, ইসিএল অস্থায়ীভাবে কিছুদিন ট্যাংকারে করে কোলিয়ারি থেকে জলের ব্যবস্থা করতে পারে। কিন্তু সেই জল পরিশুদ্ধ না হওয়ায় গ্রামবাসী তার বিরোধিতা করেন। এরপর এজেন্ট অফিসের সামনে গ্রামবাসীদের তরফে বিকেল পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়। কিন্তু তারপরেও তেমন কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি ইসিএলের তরফে।

এদিন যে কুয়োটি ধসে যায়, তার পাশেই থাকেন যমুনা মণ্ডল নামে এক মহিলা। তিনি জানান, এদিন সকাল ৯টা নাগাদ আমার পুত্রবধূ সঞ্চিতা মণ্ডল বাড়ির পাশের এক সরকারি কুয়োতে জল তুলতে যায়। সে সময় হঠাৎ বিকট একটা শব্দ হয়। মুহূর্তের মধ্যে কিছু বুঝে উঠার আগেই কুয়োটি দড়ি বালতি সমেত ধসে মাটির নিচে চলে যায়। আমার পুত্রবধূ তা দেখে কোনও মতে দৌড়ে পালিয়ে এসে নিজের প্রাণে বাঁচায়। এপ্রসঙ্গে কেন্দা গ্রাম রক্ষা কমিটির সম্পাদক সন্দীপ বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘গ্রামের ২০৬৪ পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য ইসিএল থেকে অনেক আগে পরিচিতি পত্র দেওয়া হয়েছিল। তাদেরকে বলা হয়েছিল, এই এলাকা থেকে সরিয়ে অনত্র নিয়ে যাওয়া হবে। আজ পর্যন্ত কাউকে পুনর্বাসন দেওয়া হয়নি।’

- Advertisement -