হিংসা নিয়ে অভিযোগ নেই, গাজোলে গিয়ে শুনল মানবাধিকার কমিশন

180

গাজোল: ভোট পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বুধবার গাজোলে আসলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য আতিফ রশিদ। তার এই সফর ঘিরে বিস্ময় তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কারণ গাজোল ব্লকে ভোট পরবর্তী হিংসার তেমন কোনও ঘটনা নজরে আসেনি। যদিও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি যে এলাকা ঘুরে দেখলেন সেখানে দলবদলকে কেন্দ্র করে একটি ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা ওই এলাকার বিজেপির বুথ সভাপতির বাড়ি ভাঙচুর করে এবং মহিলাদের উপর অত্যাচার চালায়। পালটা অভিযোগ করে সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের পরিবার। যদিও এদিন শুধুমাত্র বিজেপি সমর্থক পরিবারদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় মানবাধিকার দলের সদস্য। তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন গ্রামবাসীরা।

- Advertisement -

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রানীগঞ্জ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কেনবোনা গ্রামের বিজেপি সদস্য নারায়ন মণ্ডল বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন। ফলে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে তৃণমূল। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে যোগদান করার পর তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। অন্যদিকে, বিজেপি সমর্থক বেবি সরকারের অভিযোগ, হামলার দিন রাতে পুলিশ এবং তৃণমূল কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। পাশাপাশি অন্যান্য বিজেপি সদস্যদের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। ঘটনায় শুধুমাত্র বিজেপি কর্মী সমর্থকদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিনের সফর সম্পর্কে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য আতিফ রশিদ বলেন, ‘এখানকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম তারা বেশ ভীত। আমাদের বয়ান দিতেও ভয় পাচ্ছেন তারা। এখানকার মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়েছে। তারা ভয় পাচ্ছেন। আমরা এখান থেকে ঘুরে যাওয়ার পর তাদের উপর আক্রমণ হতে পারে এই ভয় পাচ্ছেন। আমি এই বিষয়ে এখানকার আইসিকে বলেছি আমরা ঘুরে যাওয়ার পর যদি আক্রমণের ঘটনা ঘটে তবে পুলিশ দায়ি থাকবে। পুলিশ ঠিকভাবে কাজ করেনি। আমি আদালতের কাছে আমার রিপোর্ট পেশ করব।‘