চ্যাংরাবান্ধা ১৭ জানুয়ারি: বৃহস্পতিবার থেকে মেখলিগঞ্জ ব্লক ছাত্র-যুব উৎসব শুরু হয়েছে চ্যাংরাবান্ধায়। কিন্তু এই উৎসব ঘিরে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বেশকিছু মানুষ অনুষ্ঠান মঞ্চের বাইরে বিক্ষোভে সামিল হন। ব্লক প্রশাসনের এক কর্তাকে তাদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি তরফে অর্থ খরচ করে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলেও এ নিয়ে তেমনভাবে এলাকায় প্রচারই করা হয়নি। অনুষ্ঠানের খবর এবার পৌঁছায়নি মেখলিগঞ্জ ব্লকের সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছেও। এনিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিচারকের পারদর্শীতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এমনকি, কয়েকজন বিক্ষোভকারী বিচারকদের সকলের সামনে বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তি পাঠ করে শোনানো, সঙ্গীত পরিবেশন ইত্যাদি দাবি তোলেন। এই নিয়ে  তুমুল চাঞ্চল্য দেখা দেয়। কোনও ক্রমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন আয়োজকরা। কিন্তু বাইরে বিক্ষোভের আওয়াজ পেয়ে অনুষ্ঠান মঞ্চের ভিতরে দর্শক আসনে বসে থাকা মানুষজনও বাইরে বেরিয়ে আসেন। এনিয়ে সাময়িক উত্তেজনাও ছড়ায়। শেষে প্রশাসনের তরফে অভিযোগকারীদের সাথে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। এনিয়ে প্রশাসন এবং আয়োজকদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন স্থানীয় উন্নয়ন জাগরন মঞ্চের এবং চ্যাংরাবান্ধা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মিতুল সাহা সহ বেশকিছু সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ। অভিযোগ সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয়েছিল ব্লক যুব কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক সমুজ্জ্বল সান্যালের সাথে। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। মেখলিগঞ্জ ব্লকের বিডিও সাঙ্গে ইউডেন ভুটিয়া এ বিষয়ে শুক্রবার  বলেন, ‘অনুষ্ঠানের কিছু বিষয় নিয়ে কথা উঠেছে। সেগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে’।