গাজোলে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের কাজ শুরু হল

341

গৌতম দাস ও পঙ্কজ ঘোষ, গাজোল: গাজোলে বৃহস্পতিবার থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের কাজ শুরু হল। জানা গিয়েছে, প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় যে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে তারাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের কাজ করবেন।

প্রথম পর্যায়ে, পরিযায়ী শ্রমিক এবং বাইরে পড়াশোনা সহ অন্যান্য কাজের সঙ্গে যুক্ত যাঁরা এলাকায় ফিরে এসেছেন তাঁদের স্ক্রিনিং করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে, সমস্ত বাসিন্দাদের নিয়ে আসা হবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের আওতায়। এই ব্যবস্থার ফলে সন্দেহজনক কোনও ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া গেলে তাঁকে স্বাস্থ্যদপ্তরে নিয়ে যাওয়া হবে। পরবর্তী পর্যায়ের কাজ করবে স্বাস্থ্যদপ্তর।

- Advertisement -

আরও পড়ুন: শ্রমিকদের জন্য সরকারি সহায়তার দাবি, আন্দোলনে নামল নির্মাণকর্মী ইউনিয়ন

এদিন বিকেলে বিডিও অফিসে গাজোল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের টাস্কফোর্সের হাতে থার্মাল স্ক্রিনিং মেশিন তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন বিডিও নবীন চন্দ্রা, যুগ্ম-বিডিও সন্দীপন দে সহ টাস্কফোর্সের সদস্যরা।

গাজোলে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের কাজ শুরু হল| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

এই বিষয়ে বিডিও নবীন চন্দ্রা জানান, করোনা পরিস্থিতির জেরে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর গাজোল ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় পরিযায়ী শ্রমিকরা এসেছেন। এছাড়াও বাইরে যারা পড়াশোনা করেন কিংবা অন্য কোনও পেশার সঙ্গে যুক্ত তাঁরাও অনেকে বাড়ি ফিরেছেন। এলাকায় আসার পর নিয়ম অনুযায়ী হোম কোয়ারান্টিনে ছিলেন তাঁরা। লকডাউন সামান্য শিথিল হওয়ার পর ভিন রাজ্যে পড়তে যাওয়া বেশ কয়েকজন পড়ুয়া এলাকায় ফিরে আসছেন। এছাড়াও বিশেষ অনুমতি নিয়ে কিছু মানুষ এলাকায় ফিরে আসছেন। এদেরও হোম কোয়ারান্টিনে রাখা হবে। এঁদের প্রত্যেকেরই থার্মাল স্ক্রিনিং করা হবে।

তিনি জানান, প্রায় সারাবছরই সাধারণভাবে জ্বর কিংবা সর্দি-কাশিতে ভোগেন অনেকেই। করোনার উপসর্গও অনেকটা এরকমই। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ জ্বর হলেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। টাস্কফোর্সের সদস্যরা প্রতিটি পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়ি যাবেন। শ্রমিক ছাড়াও পড়ুয়া এবং অন্যান্য পেশার সঙ্গে যুক্ত যারা বাইরে থাকেন তাঁদের প্রত্যেককেই থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আনা হবে। যাদের থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে তাদের তালিকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে ব্লক স্বাস্থ্যদপ্তরে। এছাড়াও স্ক্রিনিংয়ের সময় কোনও অসঙ্গতি ধরা পড়লে তা স্বাস্থ্যদপ্তরের নজরে আনা হবে। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে স্বাস্থ্যদপ্তর। প্রথম পর্বে বাইরের থাকা মানুষদের আওতায় আনা হলেও পরবর্তী পর্বে গাজোল ব্লকের সমস্ত বাসিন্দাদের থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আনা হবে। বিডিও জানান, এদিন থেকে গাজোল ব্লকের ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের কাজ শুরু হয়ে যাচ্ছে।

এই বিষয়ে গাজোল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের সচিব তথা টাস্কফোর্সের প্রধান সত্যজিৎ মিত্র জানান, থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের কাজ শুরু করে দিচ্ছেন তাঁরা। পর্যায়ক্রমে গাজোল-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২১টি সংসদেই এই স্ক্রিনিংয়ের কাজ করা হবে। এদিন ব্লক দপ্তরে দপ্তরের কর্মী এবং সাংবাদিকদের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়।