ইন্টার ডিস্ট্রিক্ট চেকপোস্টে থার্মাল স্ক্রিনিং শুরু হল

298

ফাঁসিদেওয়া, ৩ মেঃ শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগরের মুরালীগঞ্জ চেকপোস্ট দিয়েই পাশের জেলা হয়ে দার্জিলিংয়ে বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রচুর লরি এসে দৈনিক যাতায়াত করছে। সেই কথাকে মাথায় রেখে করোনা সতর্কতা অনুযায়ী রবিবার ফাঁসিদেওয়া গ্রামীণ হাসপাতালের তত্বাবধানে স্ক্রিনিং ক্যাম্প খোলা হল। সম্প্রতি, বিধানগরে আনারস বোঝাই করতে আসা হরিয়ানা নম্বরের একটি লরিতে করোনা পজিটিভ রোগীর সংস্পর্শে আসার বিষয়টি জানা যায়। খবর চাউর হতেই ওই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে ওই লরির চালক এবং খালাসীকে বিধাননগর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ থানা সংলগ্ন একটি পেট্রোল পাম্পের কাছ থেকে উদ্ধার করে, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। যদিও, পরে তাঁদের করোনা টেস্ট করা হলে, রিপোর্টে নেগেটিভ ধরা পড়ে। এই মুহুর্তে তাঁদের ১৪ দিনের রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য ইনস্টিউশনাল কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। এরপর থেকেই বিধাননগরের বিভিন্ন এলাকায় করোনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়াতে থাকে। ঘটনার আগে থেকেই বিধাননগর পুলিশ মুরালীগঞ্জ চেকপোস্টে নাকা চেকিং বসিয়েছিল। তবে, সেক্ষেত্রে লরির বিষয়ে জানা গেলেও, তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি বোধগম্য হচ্ছিল না। এবারে স্বাস্থ্য দপ্তরও সচেতনতা অবলম্বন করতে তৎপর হয়ে উঠল। সূত্রের খবর, ওই এলাকায় এদিন থেকে সকল গাড়ির চালকের নাম, কোথা থেকে এসে কোথায় যাচ্ছে, কোনও রকম শারীরিক সমস্যা রয়েছে কিনা তা যাচাই করতে থার্মাল স্ক্রিনিং শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা রাখা হচ্ছে। এদিন ফাঁসিদেওয়ার মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অরুণাভ দাস, ফাঁসিদেওয়ার বিডিও সঞ্জু গুহ মজুমদার, বিধাননগর তদন্ত কেন্দ্রের ওসি মানস দাসের উপস্থিতিতে স্ক্রিনিং ক্যাম্প খোলা হয়েছে। ডাঃ অরুণাভ দাস জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য কর্মীদের দিয়ে সেখানে থার্মাল স্ক্রিনিং ক্যাম্প চালানো হচ্ছে৷ বিডিও সঞ্জু গুহ মজুমদার জানিয়েছেন, লকডাউনের মাঝে করোনা নিয়ে সমস্যা রুখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএসপি (গ্রামীণ) অচিন্ত্য গুপ্ত জানিয়েছেন, পুলিশি নাকার পাশাপাশি ইন্টার ডিস্ট্রিক্ট পয়েন্টে এই স্বাস্থ্য শিবির করোনা পরিস্থিতিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে৷