অবৈধ বলি পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৩ জন লরির চালক

68

বর্ধমান, ১৩ জুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই বালির অবৈধ কারবার নিয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর সেই সতর্কবাণী মেনেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় বালির অবৈধ কারবার বন্ধে শুরু হয়েছে জোরদার পুলিশি অভিযান। অবৈধ বালির কারবার বন্ধ করতে বিগত কয়েকদিন জেলার বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশ বালি বোঝাই বেশ কয়েকটি লরি ও ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করেছে। বালি পাচারের অভিযোগে লরির চালক ও খালাসিদের গ্রেপ্তারে করা হয়েছে। লরি এবং ট্রাক্টর মালিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

শনিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ১৩টি বালি বোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত করেছে। ওই সমস্ত লরির চালকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার জামালপুর থানার পুলিশ ১০টি বালি বোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে বর্ধমানের দিক থেকে বালি বোঝাই লরিগুলি যাচ্ছিল। আঝাপুর আন্ডারপাসের কাছে লরিগুলিকে আটকানো হয়। চালকরা বালির বৈধ কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। খাদান থেকে অবৈধভাবে বালি লরিতে বোঝাই করে, পাচার করা হচ্ছিল বলে দাবি পুলিশের।

- Advertisement -

একইরাতে বর্ধমান থানার পুলিশ ৩টি বালি বোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত করেছে। লরির চালকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্ধমান থানার পুলিশ জানিয়েছে, লরিগুলি কলকাতার দিকে যাচ্ছিল।বর্ধমানের মিরছোবা এলাকায় পুলিশ লরিগুলির পথ আটকায়। চালকরা বালি বহন সংক্রান্ত বৈধ কোনও কাগজপত্র দেখাতে না পারায়, তাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। উভয় থানার পুলিশ রবিবার ধৃত ১৩ জন লরি চালককে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। আদালতের ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতদের জামিন নামাঞ্জুর করেছেন। পাশাপাশি, বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।