২৫ বছর ধরে আলিপুরদুয়ারবাসীকে মজিয়ে রেখেছে এই খাবার

318

আলিপুরদুয়ার: সকাল শুরু হয় চা দিয়ে সঙ্গে পুরি বা পরোটা হলে আরও ভালো জমে। করোনা আবহে মিষ্টির দোকান সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা। ছোট দোকান গুলোও কার্যত বন্ধ। তবে সেই সকাল ১০টা বাজতেই বিভিন্ন জায়গায় ভিড় দেখা যায় ভোজন রসিকদের। আলিপুরদুয়ার শহরেও বিভিন্ন জায়গায় সকালের জলখাবারে রুটি, পুরি, পরোটা খেতে ভালোবাসে শহরবাসী। এরমধ্যে সব থেকে বেশি প্রিয়, শহরের কলেজ হল্ট বেলতলা মোড়ের মিষ্টির দোকানের মশলা পরোটা। কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি যখন ছিলনা সেসময় প্রায় লাইনে দাঁড়িয়ে পরোটা খেতে হত এই দোকানে। এখন তেমন পরিস্থিতি না থাকলেও চাহিদা একই আছে। এই পরোটার অন্যরকম স্বাদের জন্যই এত বেশি বিক্রি বলে জানান ক্রেতারা। স্কুল কলেজের পড়ুয়ারা থেকে শুরু করে বয়স্করাও সমানভাবে পছন্দ করে এই পরোটা। প্রায় পঁচিশ বছর ধরে এই পরোটা বিক্রি হয় এই জায়গায়।

দোকানের কর্ণধার জয়দেব ঘোষ বলেন, ‘মানুষ এই পরোটা পছন্দ করেছে। আমরাও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি সুনাম ধরে রাখার। পরোটার সঙ্গে তরকারির মান সর্বদাই লক্ষ রাখা হয়। বর্তমানে পাঁচ ঘণ্টা দোকান খোলা থাকছে সেজন্য ব্যবসা কিছুটা কমেছে। প্রথম দিকে একটি পরোটা পাঁচ টাকায় বিক্রি হত। এখন একটা পরোটার দাম ত্রিশ টাকা। পরোটা তরকারির সঙ্গে চাটনি এবং পাপড়ও পরিবেশন করা হয়। আগে টক দইও দেওয়া হত। এখন ২০ থেকে ৩০ কেজি ময়দার পরোটা বিক্রি হয়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে রোজ ৮০ কেজি থেকে ১ কুইন্টাল ময়দার পরোটাও বিক্রি হত।’

- Advertisement -

স্বপ্ননীল সেন নামে এক পড়ুয়ার জানান, কলেজ খোলা থাকলে আমাদের এটাই প্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম। একটা পরোটা খেলেই পেট প্রায় ভরে যায়। সেজন্য অনেকে এখানেই আসে। এখনও মাঝে মাঝে এসে খেয়ে যাই। বিমলেন্দু দাস নামে আরেক শহরবাসী বলেন, ‘সকাল থেকেই এই পরোটা খেতে ভিড় করে অনেকেই। অনেকেই বিভিন্ন কাজে যাবার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় সকালেই। এই জায়গায় সকালের জলখাবার সেরে যায়। একটা পরোটায় পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। আর এক অন্যতম স্বাদ বেশি আকর্ষিত করে।’