পাচারের আগে ২১ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ২, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার আরও ১

262

ফাঁসিদেওয়া, ২৭ সেপ্টেম্বরঃ গাঁজা পাচারের অভিযোগে দুই যুবককে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করল। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে ফাঁসিদেওয়া ব্লকের হাপতিয়াগছ সংলগ্ন পিয়াজি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১ কেজি সমেত গাঁজা সমেত উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার জানকিগছ এলাকার বাসিন্দা মুক্তারুল হক (২৬) চোপড়ার নলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কৌসর আলি (২৬) কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তরা একটি মোটরবাইকের পেছনে বাধা বস্তায় করে গাঁজা পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। সন্দেহের বশে পুলিশ যুবকদের আটক করে তল্লাশি চালাতেই গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের অনুমান উদ্ধার হওয়া গাঁজার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা জানিয়েছে, গাঁজা চোপড়া থেকে ফাঁসিদেওয়াতে বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা এসেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পাচারে ব্যবহৃত মোটরবাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। চলতি বছর ১৪ অগাস্ট গভীর রাত ব্লকের চটহাট বাঁশগাও কিশমত গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পশ্চিম বান্দরঝুলি এলাকার বাসিন্দা তথা মৌলবী আব্দুল ওয়াহিদের বাড়ি থেকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা ডাকাতির ঘটনাতেও ধৃতরা জড়িত ছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। ধৃতরা পুলিশের কাছে অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ওপর এক যুবকের নাম উঠে এসেছে। শনিবার গভীর রাতে বিহারের ডাঙ্গি বস্তি থেকে মহম্মদ মুস্তাকিম (২৫) নামে অভিযুক্ত অপর অপরাধীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৪ দিনের পুলিশি হেপাজতের আর্জি জানিয়ে ধৃতদের রবিবার শিলিগুড়ি মহকুমা আদালত তোলা হয়। বিচারক ধৃতদের ৯ দিনের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বিষয়টি নিয়ে দার্জিলিংয়ের ডিএসপি (গ্রামীণ) অচিন্ত্য গুপ্ত জানিয়েছেন, পুলিশ ভালো কাজ করেছে। দ্রুত ডাকাতির ঘটনায় জড়িতরা গ্রেপ্তার হয়েছে। এছাড়াও, জাতীয় সড়কে ছিনতাইয়ের ঘটনা এবং একাধিক অপরাধে  জড়িতরাও গ্রেপ্তার হয়েছে। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে ডাকাতির ঘটনায় আর কারা জড়িত তা নিয়ে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।