রাত পোহালেই ভোট, কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা সীমান্তবর্তী এলাকায়

144

চ্যাংরাবান্ধা: রাত পোহালেই ভোট। এই উপলক্ষ্যে মেখলিগঞ্জ ব্লকের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকাগুলিতে থাকছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মেখলিগঞ্জের বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষে থাকা বিভিন্ন ভোট গ্রহণকেন্দ্র ও এলাকাগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে বিভিন্ন খোলা সীমান্তগুলির উপর বিশেষভাবে নজর রাখা হচ্ছে। কারণ বিভিন্ন সময়ে উন্মুক্ত সীমান্তগুলি দিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠে আসে। ভোটের দিনও যাতে কেউ অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার করতে না পারে সেজন্য নিরাপত্তা আরও কঠোর করা হয়েছে।

পাশাপাশি, চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে বন্ধ থাকছে বৈদেশিক বাণিজ্যও। অর্থাৎ ভোটের দিন ভারত ও ভুটান থেকে কোনওপ্রকার পণ্য যেমন বাংলাদেশে পাঠানো হবেনা তেমনি বাংলাদেশ থেকেও পণ্য আমদানি করা হবেনা। যদিও এবিষয়ে চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকার শুল্ক দপ্তরের কর্তারা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। ব্যবসায়ীরা নিজেরাও ভোটের দিন বৈদেশিক বাণিজ্য করা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের এই সিদ্ধান্তের কথা লিখিতভাবে শুল্কদপ্তর সহ বিভিন্ন মহলে জানিয়ে দিয়েছেন। চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, আন্তর্জাতিক তিন বিঘা করিডোর প্রভৃতি এলাকার দিকেও নজরদারি রাখা হচ্ছে। কারণ ৩ বিঘা করিডোরের দুপাশে রয়েছে বাংলাদেশ। আর এই করিডোরের উপর দিয়ে দিনরাত বাংলাদেশের মানুষজন নিজেদের দেশে যাতায়াত করছেন। এই করিডোরের একদিকে রয়েছে দহগ্রাম-অঙ্গারপোতা। যেসব এলাকা থেকে মাঝেমধ্যে অবৈধপ্রবেশ চোরাচালান সহ নানা অভিযোগ উঠে আসে।

- Advertisement -

বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের এক আধিকারিক জানান, সীমান্ত এলাকায় এমনিতেই সর্বদা বিএসএফের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। তবে নির্বাচনের কারণে বাহিনীকে আরও বেশি সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। নির্বাচনের সময়েও যাতে সীমান্ত পেরিয়ে কেউ ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করতে না পারে সেজন্য সবধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যদিও এপ্রসঙ্গে মেখলিগঞ্জ মহকুমা এবং ব্লক প্রশাসনের কর্তারা কোনওধরণের মন্তব্য করতে চাননি। নির্বাচনের দিন সীমান্ত দিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্য করা থেকে বিরত থাকার কথা স্বীকার করেছেন ব্যবসায়ীদের সংগঠন তথা চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিমল কুমার ঘোষ।