স্মারকলিপি দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি, আক্রান্ত সাংবাদিকরাও

142

রাজগঞ্জ: তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন দলেরই একাংশ। আর সেই খবর করতে গিয়ে রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হলেন সাংবাদিকরা। আহত হয়েছেন মোট ৭ জন সাংবাদিক।

শুক্রবার বিভিন্ন অভিযোগ ও বিভিন্ন দাবি নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত রাজগঞ্জের সুখানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে স্মারকলিপি দিতে যায় দলেরই এসসি এসটি ওবিসি সেল। প্রচুর তৃণমূল কর্মী-সমর্থক রাজগঞ্জ বাজার থেকে দলীয় ঝান্ডা নিয়ে মিছিল করে গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে পৌঁছান। তাঁরা দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে শ্লোগানও দেন। উপস্থিত ছিলেন এসসি এসটি ওবিসি সেলের রাজগঞ্জ ব্লকের কার্যকরি সভাপতি ( ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট ) পূর্ণচন্দ্র রায়, সুরেশ রায়, নূর আলম সহ অন্য কর্মীরা। এসসি এসটি ওবিসি সেলের জলপাইগুড়ি জেলার সভাপতি কৃষ্ণ দাসপন্থী ওই নেতাদের অভিযোগ, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের মহানপাড়া ও প্রধানপাড়া বুথে ১০০ দিনের কাজে অনিয়ম করা হচ্ছে। এছাড়াও আবাস যোজনার ঘর প্রত্যেক পঞ্চায়েত সদস্যকে বন্টন করতে দেওয়ার দাবিও তোলেন আন্দোলনকারীরা। এলাকায় রাস্তার কাজ ও প্রধানের কর্মকাণ্ড নিয়েও অভিযোগ ছিল তাঁদের। এদিন ওই অভিযোগ নিয়ে কৃষ্ণ দাসের অনুগামীরা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সম্পা দত্তকে স্মারকলিপি দিতে গেলে তাঁদেরকে কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি শুরু হয়। সেই খবর করায় ৭ জন সাংবাদিককে মারধর করে খগেশ্বরপন্থীরা। এসসি এসটি ওবিসি সেলের রাজগঞ্জ ব্লকের কার্যকরি সভাপতি পূর্ণচন্দ্র রায় জানান, তাঁদের কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমনকি তাঁদের ওপর হামলা করার পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও মারধর করা হয়। এটা খুবই নিন্দনীয়। যদিও খগেশ্বর রায়ের অনুগামী জলপাইগুড়ি জেলার তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহসভাপতি শেখ ওমর ফারুক জানান, স্মারকলিপি দেওয়ার বিষয়ে আগাম জানানো হয়নি। এছাড়া যাঁরা স্মারকলিপি দিতে এসেছিলেন তাঁরা তৃণমূলের নন।

- Advertisement -