বৈঠকে ডাক না পেয়ে প্রাক্তন বিধায়ককে একহাত নিলেন তৃণমূল নেতা প্রণববাবু

226

তুফানগঞ্জ: ফের চরমে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। প্রাক্তন বিধায়ক এবং জেলা সভাপতির উপস্থিতিতে চলা কর্মী সভায় ডাক পেলেন না প্রণব কুমার দে। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী মনোনীত হয়েছিলেন। তবে, জয় অধরা থেকে যায়। ঘটনা প্রসঙ্গে এদিন বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন প্রণববাবু। বৈঠকে ডাক না পেয়ে দলের নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলে থেকেই অনেকে আমাকে পরাজিত করেছেন।

মঙ্গলবার তুফানগঞ্জ শহরের রায়ডাক ভবনে আয়োজিত বৈঠকে জেলা সভাপতি, প্রাক্তন বিধায়ক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তুফানগঞ্জ-১ বি ব্লক সভাপতি প্রদীপ বসাক, তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ধনেশ্বর বর্মন সহ অন্যান্যরা। ঘটনা প্রসঙ্গে প্রণববাবু অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাকে কেন ডাকা হল না, তা বুঝতে পাচ্ছি না। তবে আমাকে যারা তৃণমূলে থেকে হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজনকে এদিনের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল বলে জানতে পেরেছি। যারা তৃণমূলে থেকেও হারিয়েছেন, তাদের বিষয়ে আমি রাজ্য নেতৃত্বকে জানাব।’

- Advertisement -

এরপরেই তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, ‘আমাকে যারা নির্বাচনে হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন হলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক ফজল করিম মিঁয়া। এদিনের বৈঠকে তাঁকেও ডাকা হয়েছিল। অথচ আমি তুফানগঞ্জে ছিলাম, তাও আমাকে ডাকা হয়নি।’ এবিষয়ে ফজল করিম মিঁয়া বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। নির্বাচনের আগে আমি শারীরিক অসুস্থতার জন্য বাড়িতেই ছিলাম।’ অন্যদিকে, জেলা তৃণমূলের সভাপতি পাৰ্থ প্রতিম রায়ের ফোন সুউচড অফ থাকায় তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র তথা তৃণমূলের তুফানগঞ্জ শহর ব্লক সভাপতি শিবপদ পাল বলেন, ‘জেলা সভাপতি যা নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেই মোতাবেকই কাজ হয়েছিল।’