‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’, ভোট যুদ্ধে তৃণমূলের হাতিয়ার নয়া স্লোগান

126

কলকাতা: ‘মা-মাটি-মানুষ’, ‘বদলা নয় বদল চাই’, ‘দিদিকে বলো’ কিংবা ‘বাংলার গর্ব মমতা’, ইতিহাস সাক্ষী স্লোগানই অতীতে ব্রহ্মাস্ত্র হয়েছিল ঘাসফুল শিবিরের। আর ২১-এ বিধানসভা ভোটেও পদ্মের সঙ্গে যুদ্ধে সেই স্লোগানেই ভরসা রাখছে তৃণমূল। এবার তাদের স্লোগান, ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। শনিবার, তৃণমূল ভবনে রীতিমতো কর্পোরেট ধাঁচায় অনুষ্ঠান করে লঞ্চ করা হল এই স্লোগান। এদিন বক্তব্য রাখলেন দলের বর্ষীয়ান নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমাদের দলে একটাই মুখ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী পদে বিরোধীরা মুখ খুঁজে বেরাচ্ছে। নারীদের উন্নয়নে কাজ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষিতে স্বনির্ভরতা আনতে হবে রাজ্যে। শুধু ত্যাগ স্বীকার করে সেবা করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্রামে ৩৪ লক্ষ বাড়ি তৈরি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, কাকলী ঘোষ দস্তিদার, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো দলের হ্যাভি ওয়েট নেতারা।

সুব্রতবাবু বলেন, ‘ভোটের আগে অনেক দল ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা মুখ্যমন্ত্রী খুঁজে দেখছেন। আমাদের মমতা বন্দোপাধ্যায় আছেন। নিষ্ঠা, সাহস, লড়াই নিয়ে তিনি আছেন। তিনিই হবেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী।মহিলা সংরক্ষণে তিনি এগিয়েছেন। গুণগতমানে তিনি এগিয়ে। তিনি গ্রাম বাংলার উন্নতি করেছেন। মানুষের সাথে তাঁর অবিচ্ছেদ্য যোগ রয়েছে। গ্রামের মানুষদের তিনি দেখেছেন। গ্রামের মানুষদের কথা তিনি ভেবেছেন। তাঁর কাজের জেদ আছে। তাঁর কোনও বিকল্প নেই। বাংলার প্রগতি, সংস্কৃতি নিয়ে তিনি এগিয়েছেন। তিনি যা কাজ করেছেন তাঁর কোনও নজির নেই ভারতে। পরিযায়ী শ্রমিকদের তিনি সাহায্য করেছেন। বিজ্ঞান ভিত্তিক চিন্তা তিনি করেছেন। ছুটি নেই, খিদে নেই তাঁর। তাই তাঁর বিকল্প নেই। একটাও নাম বলতে পারেনি।’

- Advertisement -

এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এই বাংলার সাথে মাটির টান আছে। আছে আত্মিক যোগাযোগ। তাঁর হাত ধরেই নেত্রী বিগত এক দশকে বাংলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিতে উন্নয়নের জোয়ার এনেছেন। স্বাস্থ্যসাথী পাচ্ছেন সকলে। খাদ্যসাথী প্রকল্পে সাহায্য পেয়েছে মানুষ। বাংলার সামগ্রিক পট পরিবর্তনে বাংলার গরিমা রক্ষা করেছেন তিনি অভিভাবক হিসাবে। সকলের খবর রেখেছেন। বাংলার মাটির কথা তিনি বোঝেন। তাই বাংলার মেয়েকে আবারও চাই। আশা করব রাজ্যের সব পরিবার উপকৃত হয়েছেন। তাই বাংলা নিজের মেয়েকে চায়।’