মিলল না স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা, রোগীর পাশে তৃণমূল নেতা

116

রাজগঞ্জ: শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিংহোম স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিচ্ছে না বলে বারবার অভিযোগ উঠছে। শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারপার্সন গৌতম দেব বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করার পরও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে। শনিবার একই অভিযোগ করলেন তৃণমূলের দার্জিলিং জেলার সাধারণ সম্পাদক মদন ভট্টাচার্য।

ফুলবাড়ির পশ্চিম ধনতলার অরজিৎ দাস নামে এক ব্যক্তি প্রায় ছয় মাস থেকে লিভারের জটিল রোগে ভুগছেন। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতাল তা গ্রাহ্য না করায় বিনা চিকিৎসায় বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে আছেন। বিষয়টি জানতে পেরে এদিন তাঁর বাড়িতে যান তৃণমূল নেতা মদন ভট্টাচার্য। শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসা পরিষেবা না দেওয়ায় তাঁকে কলকাতায় নিয়ে চিকিৎসা করার আশ্বাস দেন মদনবাবু। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় গরিব মানুষের কথা ভেবে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেছেন। কিন্তু খুব দুর্ভাগ্যজনক বিষয় রাজ্যের অন্যান্য জায়গায় ওই কার্ডে পরিষেবা পাওয়া গেলেও শিলিগুড়ির বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিংহোম চিকিৎসা করছে না। রোগীকে ভর্তি নেওয়ার সময় স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের কথা শুনলেই নানান বাহানা দেখিয়ে ফিরিয়ে দিচ্ছে। ফুলবাড়ির পশ্চিম ধনতলার অরজিৎ দাসের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। অরজিৎ দাসের অবস্থা খুব খারাপ। খুব শীঘ্রই তাঁর চিকিৎসা প্রয়োজন।

- Advertisement -

মদনবাবু জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প নিয়ে কাজ করছেন। সেই সংকল্প নিয়েই অরজিতের বাড়িতে এসেছি। প্রথমে অরজিৎকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করার পর কলকাতার এসএসকেএম বা পিজি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রয়োজনে লিভার ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও কথা বলা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এছাড়া অসহায় অরজিতের মেয়ের পড়াশোনার ব্যয় বহন করার আশ্বাসও দেন তিনি।

এদিন মদনবাবু পশ্চিম ধনতলার অসহায় বৃদ্ধা মিনতি বর্মনকে তিন মাসের খাদ্যসামগ্রী ও নতুন বস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেন। তিনি প্রায় ১১ বছর ধরে ওই বৃদ্ধার ভরণপোষণ চালাচ্ছেন। বৃদ্ধা যতদিন বাঁচবেন তাঁর ভরণপোষণ চালাবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।